দুর্নীতিই দেশের জিডিপির ২ থেকে ৩ শতাংশ খেয়ে ফেলছে। তাই দুর্নীতিকে ন্যূনতম প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

আজ বুধবার দুপুরে ভুটান দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে দুদকের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুদকের পক্ষে ইকবাল মাহমুদ এবং ভুটান দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে তাদের চেয়ারপারসন মিস কিনলে ইয়াংজুম স্বাক্ষর করেন।

এ সময় দুদকের কমিশনার নাসিরউদ্দীন আহমেদ, এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টবডেন রেবজি উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে দুর্নীতির প্রাথমিক অনুসন্ধান, শনাক্তকরণ, প্রমাণকরণ, দুর্নীতি প্রতিরোধসহ অভিজ্ঞতার বিনিময়, উত্তম চর্চা, দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষা কর্মসূচিসহ আটটি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি দমন করা সত্যিই চ্যালেঞ্জ। বর্তমান কমিশন দুর্নীতি দমনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সর্বশেষ প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচকে ভুটানের অবস্থান ২৭তম। সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুটানের উত্তম চর্চাগুলো গ্রহণ করতে চায়।

ভুটান দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারপারসন কিনলে ইয়াংজুম বলেন, ভুটান ও বাংলাদেশের দুর্নীতির প্রক্রিয়া অভিন্ন। সমঝোতা স্মারকে কৌশল, কর্মসূচি, পদ্ধতি, নতুন নতুন নীতিমালাসহ পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে।

Share Button