সাহানুর রহমান, লালমনিরহাট – উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রোববার (২ জুলাই ) সকালে থেকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫০ সেঃমিঃ। যা স্বভাবিক (৫২দশমিক ৪০ সেঃমিঃ) এর চেয়ে ১০ সেঃমিঃ উপরে। এ দিকে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ পানি উন্নয়ন বোডের বন্যা পুর্বাভাস সর্তকীকরন কেন্দ্র জানায় ভোর রাত থেকে তিস্তার পানি মারাত্বক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তার তীরবর্তি অঞ্চলগুলো সৃষ্ঠ বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের একই সঙ্গে ৪৪টি গেট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে। পাশাপাশি পানি অস্বাভাবিকহারে বেড়ে যাওয়ায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা বেশ কয়কটি বাঁধ ভেঙ্গে গেছে, আর কালীগঞ্জ, আতিমারী উপজেলার তীরবর্তী বাঁধ গুলো ভেঙ্গে যেতে পারে বলে স্থানীয়রা আশংকা প্রকাশ করেন। এ দিকে পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত ছিটমহল আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের চর,হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী ,চর হলদীবাড়ি, তিস্তা, ও ধরলা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিস্তার পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর তাই দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে।

Share Button