গাজীপুর: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর নয়াপাড়া এলাকায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজের তালিকায় রয়েছে তিনজন। সোমবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই এলাকায় মাল্টি ফ্যাবস লিমিটেড কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার (০৪ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত তিনজন নিখোজ রয়েছে। তারা হলেন ফেনী সদর থানার মধ্যে মাছিমপুর এলাকার মাহমুদুল হকের ছেলে এরশাদুল হক (৩২), পটুয়াখালীর বাউফল থানার ইন্দ্রকোল এলাকার কাশেম ফরাজীর ছেলে মাসুদ রানা ও গাইবান্ধার সাঘাটা থানার হেলেঞ্চা এলাকার মো. নজরুল ইসলাম। বয়লার বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ১০ জন নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যতখন পর্যন্ত নিখোজের তালিকা ও ধ্বংস স্তুপ সরানো না হয় ততখন পর্যন্ত উদ্ধার কাজ অব্যহত থাকবে। কারখানার ভেতর কিছু স্থানে ধ্বংস স্তুপের নিচে লাশ থাকতে পারে। ফায়ার সাভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

গাজীপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও এল.এ) মো. মাহমুদ হাসান জানান, বয়লার বিস্ফোরণে ১০ জন নিহতের মধ্যে ৮জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা হলেন- মাগুরার শালিকা থানার গোবরা এলাকার আয়ূব আলী সর্দারের ছেলে ফায়ারম্যান আলামিন হোসেন (৩০), বি-বাড়িয়ার নাসিরনগর থানার কুন্ডা এলাকার মৃত সাগর আলী মীরের ছেলে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, রাজবাড়ির গোয়ালন্দ থানার চরকাছন্দ বরাটবাজার এলাকার মনিন্দ্রনাথ শীলের ছেলে বিপ্লব চন্দ্র শীল, বগুড়ার সোনাতলা থানার হরিখালী এলাকার মো. সাহার আলীর ছেলে মাহবুবুর রহমান, চট্রগ্রামের মীরসরাই থানার দারোগারহাট এলাকার মৃত মকছুদ আহমদের ছেলে আবদুস সালাম, চাঁদপুর সদর থানার বাথুররপুর মদনা এলাকার বাচ্চুর ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩০), চট্রগ্রামের মিরেরসরাই থানার কাওছড়া এলাকার লুৎফুল হকের ছেলে মনছুরুল হক (৪০) ও একই থানার নূরুল মোস্তফা চৌধুরীর ছেলে আরশাদুল হোসেন চৌধুরী (৩৫)।

এছাড়া একজনের লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও একজনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এখন পর্যন্ত নিখোজের তালিকায় তিনজন রয়েছে।

Share Button