মোঃ আব্দুর রউফ ধামরাই (ঢাকা) থেকে:- ঢাকা ধামরাই ২০ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি প্রায় দেরবছর এরই মধ্যে বয়ছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচনী এলাকায় চলছে ব্যাপক গনসংযোগ। নির্বাচনী এলাকায় দেখা গেছে বিল বোর্ড,বেনার,পোষ্টারে চলছে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে  ধামরাই২০আসনের আওয়ামী- লীগের প্রার্থীদের প্রদাচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সারা ধামরাই উপজেলা। আওয়ামী-লীগের মনোনয়ন  প্রত্যাশিদের মধ্যে আছে মেঘনা ব্যাংকের পরিচালক ও বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম এ মালেক,আরেক জন হলেন বায়রার সভাপতি ও ঢাকা জেলার আওয়ামী-লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বেনজির আহমে¥দ। আর বিএনপি থেকে ধামরাইয়ের চারবারের  সাবেক এমপি ব্যারিষ্টার জিয়াউর রহমান।

সাবেক এই সংসদ সদস্য ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় কর্মী সমাবেশ করতেছে। এতে স্থানীয় লোকজন মনে করতেছে বিএনপি থেকে ব্যারিষ্টার জিয়াউর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

ধামরাই বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধরণ লোকজনের কাছ থেকে জানাযায় বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ মালেক চান আবার ও এমপি হতে। অপর দিকে আওয়ামী-লীগের ঢাকা জেলার সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য চান তার হারিয়ে যাওয়া এমপিত্ব ফিরেপেতে।

এদিকে বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ মালেক চান মানুষের জন্য কাজ করতে আর সেইজন্য দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।দীর্ঘদিন ধরে তার নির্বাচনী এলাকায় গনসংযোগ, পথসভা, বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মী-সমাবেশ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সংসদ সদস্যের বাড়ী ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের রশ্মিপুর গ্রামে। ওই গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায় যে বেশির ভাগ লোকই গর্ব করে বলেন যে এম পি মালেক একজন বড় নেতা । এছাড়া এলাকার উন্নয়নের ভুমিকায় এম এ মালেকের কোন জুড়িনেই বলে জানান। কারণ ধামরাইয়ে প্রতিটি ইউনিয়নে রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে বিজ্র-ক্যালবাটসহ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ করেছেন।

আবার তার ব্যাবহার নিয়ে অনেক লোক অনেক কথা বলে তিনি বদরাগী মানুষ । বৃদ্ব নেই- তরুনেই কাউকে তিনি মানে না। এবং বিভিন্ন ধরনের গালি- গালাজ করেন। সাধারণ মানুষ ও নেতা কর্মীদের সাথে অনেক সময় দুব্যাহার করেন। এছাড়া তিনি ধামরাই উপজেলা আওয়ামী-লীগের সভাপতি হলেও নির্বাচনী এলাকার রাজনীতিতে দলাদলির অভিযোগ করেছেন  নেতাকর্মীরা । তার অনুগামী কিছু লোক ছাড়া অন্যদের সাথে কথাও কম বলে।

এর পর ও এমপি এম এ মালেক জেলা পরিষদ নির্বাচনে ধামরাই উপজেলায়  তার সমর্থীত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন। শুধু জেলা পরিষদ নই ধামরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ পৌরসভার মেয়রকে ও বিজয়ী করেছেন।এটি তার বিশাল পাওয়া।

এমপি এম এ মালেক বলেছেন প্রাধান মšএী শেখ হাসিনা তাকে আশ্বাস দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে তিনি টিকিট পাচ্ছেন,এটাই নাকি নিশ্চিত।

তবে এদিকে বায়রার সভাপতি ও ঢাকা জেলার আওমী-লীগের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বেনজীর আহম্মেদ সুচ্ছ ভাবমুর্তি নিয়েই গসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি নিয়মিত উপজেলায় যাচ্ছে এবং প্রতি গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন।উন্নয়নের ছোয়া বঞ্চিত এলাকায় ঘুরে দেখছেন। মানুষের দুঃখ-দুদর্শার কথা শুনচ্ছেন এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য ঢাকায় সবএ যোগাযোগ রাখছেন। এরই মধ্যে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়াম্যান মাহাবুব রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং উন্নয়নের জন্য টাকা বরাদ্ব দিতেছে বলে জানাযায়।

ধামরাই উপজেলার স্থানীয় লোকজন মনে করেন আলহাজ্ব বেনজীর আহম্মেদ অনেক আগে েেথকে রাজনীতি করেন এবং সামাজিক কর্ম -কান্ডে জরিত, সুবিধা -বঞ্চিত  মানুষের পাশে আছেন এবং থাকবেন। এদিকে জাতীয় পাটির কোন নেতা কর্মীই মাঠে নেই । কারণ জাতীয় পাটির কোন নেতা কর্মীদের ধামরাই উপজেলায় দেখা যায় না। তাদের কোন গনসংযোগ নেই তারা জন সাধরণ থেকে দুরে সরে আছে।

Share Button