চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি,

আর কিছুদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা।কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে রঘুনাথপুর বিট/খাটালে গরু, মহিষ আমদানি হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তবে গত বছরের চেয়ে এইবার গরু/মহিষ আমদানি একটু বেশি বলে জানান গরু ব্যবসায়ীবৃন্দ। কারন গত বছরের চেয়ে এ বছর বিট/খাটালে গরু প্রতি ছাড়পত্রের খরচ কিছুটা কম।অনুসন্ধান করে জানা যায়, গত বছর এই সময়ে গরু প্রতি ছাড়পত্র করতে বিট/খাটাল কর্তৃপক্ষ অাদায় করতো ১২০০ টাকা,সেখানে এই বছর অাদায় করা হচ্ছে ৮০০ টাকা। যেখানে এই বছর গরু ব্যবসায়ীরা ছাড়পত্র করতে গরু প্রতি ৪০০ টাকা করে লাভবান হচ্ছেন।এই জন্যই ব্যবসায়ীরা এ বছর ভারত থেকে বেশী করে গরু অামদানি করছেন।কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে গরু আমদানি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর সীমান্তের বীট দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন গরু আসছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যা জেলার বিভিন্ন হাট হয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।বিজিবি-বিএসএফ ও দু’দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গরু আসায় চোরাচালান রোধের পাশাপাশি গরু আমদানি বেড়েছে বলে জানান রঘুনাথপুর বীটের মোঃজেন্টু অালী।সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিজিবি তল্লাশির পরে, বিট কর্তৃপক্ষের সরাসরি উপস্থিতে ভারতীয় রাখালরা গরুর চালান বাংলাদেশী রাখালদের কাছে হস্তান্তর করে।পরে সেখান থেকে বাংলাদেশী রাখালরা গরু/মহিষগুলো বিট/ খাটালে আনে।গরু ব্যবসায়ীরা রোজঅারনিউজ ডটকম কে জানান, কোন জায়গায় কোন প্রকার চাঁদা দেওয়া লাগেনা । এতে করে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশকরেছেন বিট/খাটালের পরিচালক অাব্দুস সবুর রোজঅারনিউজ ডটকম কে বলেন,রঘুনাথপুর বিট/খাটালে  বছর গরু প্রতি ছাড়পত্র করতে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা।কোন খ্যাতে কত টাকা খরচ তার হিসেব জানতে চাইলে সবুর বলেনসরকারি রাজস্ব বাবদ গরু প্রতি ৫০০ টাকা ফটোকপি,যাতায়াত,নৌকাভাড়া বাবদ ৫০ টাকা,বিট কর্তৃপক্ষকে ৫০ টাকা,জিরো পয়েন্ট থেকে বিট/খাটাল পর্যন্ত রাখালজমির মাটি ভাড়াবিদ্যুৎকর্মচারীগরুর খড় খাওয়া বাবদ খরচ ২০০ টাকা। সর্বমোট গরু প্রতি ৮০০ টাকা খরচকিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন উপায়ে রঘুনাথপুর বিট/খাটালে চাঁদা দাবি করে আসছে,চাঁদা না দেওয়াই কিছু অসাধু কুচক্র মহল গোপনে পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করার চেষ্টা চালাচ্ছে

Share Button