জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জামিন আবেদনটি নাকচ করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের অস্থায়ী আদালতে যান বিএনপি চেয়ারপারসন।

আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদিন এই দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত স্থায়ী জামিন আবেদন নাকচ করে আগামী ৩০ নবেম্বর পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে জামিন দেন।

এদিন আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে পঞ্চম দিনের মতো বক্তব্য তুলে ধরেন খালেদা জিয়া। তবে বক্তব্য অসমাপ্ত থাকায় আদালত আগামী ৩০ নবেম্বর মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাতেও আত্মপক্ষ সমর্থ করে খালেদা জিয়ার বক্তব্য বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। এদিন আদালত জানতে চান এই মামলায় খালেদা জিয়া নিজেকে দোষী নাকি নির্দোষ মনে করেন। জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ’।

বিএনপি চেয়ারপারসন আদালতকে বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থন করে তিনি আরও বক্তব্য দেবেন এবং প্রয়োজনে কাগজপত্র দাখিল করবেন। পরে বক্তব্য অসমাপ্ত থাকায় আদালত আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

গত ১৫ জুলাই খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। তিনি লন্ডনে অবস্থানকালেই গত ১২ অক্টোবর আদালত দুর্নীতির দুই মামলায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তিন মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পরদিন গত ১৯ অক্টোবর এই দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান খালেদা জিয়া। ওইদিন তিনি অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য তুলে ধরেন। এরপর ২৬ অক্টোবর এবং ২ ও ৯ নভেম্বরও তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন।

Share Button