প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারী এখন অনেক এগিয়ে গেছে। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ১০ ভাগ কোটা সেটা জাতির পিতা ঠিক করে দিয়েছিলেন। শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নারীকে যদি অর্থ ও শিক্ষায় উন্নত করতে না পারি তবে দেশ উন্নত হতে পারে না।
ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে এক প্রশ্নে  তিনি বলেন, ছাত্রলীগ যেভাবে হওয়ার সেভাবে হবে। এর জন্য প্রস্তাব ফর্ম ছাড়া হয়েছে। যদি সমঝোতা হয় তবে প্রেস রিলিজ দিয়ে হবে। না হলে ভোটের মাধ্যমে হবে। আমরা দেখতে চাই মেধাবীরা যেন নেতৃত্বে আসে।
সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয় দেশবাসীকে জানাতে গণভবনে সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন। আজ বুধবার বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলন হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য সফর একটি সফল কূটনৈতিক সফর। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য বিদেশিদের আমন্ত্রণ জানাই। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় ভূয়সি প্রশংসা করা হয়।
তিনি বলেন, আমি ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছি। বাংলাদেশের নারীসহ বিশ্বে সকল নারী সমাজকে উৎসর্গ করেছি এটি।
গত ২৯ এপ্রিল বৈশ্বিক নারী বিষয়ক সম্মেলনে (গ্লোবাল সামিট অন উইমেন) যোগদান শেষে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের আমন্ত্রণে বৈশ্বিক নারী বিষয়ক ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ২৭ এপ্রিল সিডনিতে যান তিনি।
রবিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে সিডনির কিংসফোর্ড স্মিথ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা দেন। অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. সুফিউর রহমান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
এর আগে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব সফর করেন শেখ হাসিনা। ওই দুই দেশ সফরেও পারস্পারিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
Share Button