দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি॥
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের  উচ্চমান সহকারি (কেরানি) আলমগীর হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি ও স্বজনপ্রিতীর অভিযোগ উঠেছে। তিনি দাউদকান্দি উপজেলা নিবার্হী অফিসারের সহকারি পদ থেকে পদন্নতি পেয়ে উচ্চ মান সহকারি হওয়ার পর তার অনিয়ম-দুর্নীতি বহুলাংশে বেড়েযায়।তিনি উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যমে দাউদকান্দি পৌর সদরের তুজারভাঙ্গা মোল্লা কমিনিটি সেন্টারের ২’শ গজ উত্তরে বহুতল ভবন নির্মান,কুমিল্লা সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের তার নিজ গ্রাম ঘোড়ামারায়  পৃথক দুটি তিনতলা ভবন নির্মান,কুমিল্লার আলেখার চর বিশ^রোড চক্ষু হাসপাতালের নিকট প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্রয় করেছেন। যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকার অধিক। এছাড়া মেঘনা উপজেলার লুটেরচরের শ্যামলিমা হাউজিং এষ্টেট এ একটি প্লট রয়েছে বলে জানাযায়। তিনি ২০১২ সালের জুনে যোগদান করে প্রায় ৬বছর ধরে একই ষ্টেশনে কর্মরত আছেন এবং এই ৬ বছরের মধ্যে কুমিল্লার মেঘনা,হোমনা, বরুড়া ও সদর দক্ষিন উপজেলায় পৃথকভাবে ৪ বার বদলী হলেও তিনি অদৃশ্য ক্ষমতাবলে এ উপজেলায়ই বহাল তবিয়তে রয়েছেন।তিনি একই ষ্টেশনে দীর্ঘ দিন থাকার সুবাধে এ উপজেলার  কিছু অসাধুু ব্যক্তিদের সাথে তার সখ্য গড়ে উঠে এবং বিভিন্ন ফন্দি-ফিকিরের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে অর্থ উপার্জন তার জন্য মামুলি ব্যাপার হয়ে উঠে। অনুসন্ধানে জানাযায়, প্রতি অর্থ বছরে এ উপজেলায় এডিবিতে প্রায় দেড় কোটি, উন্নয়ন ও রাজস্ব খাতে প্রায় দু’কোটি টাকার টেন্ডার হয়। ওই সকল কাজে ঠিকাদারদের থেকে বিল প্রতি ২% হারে উৎকোচ গ্রহন,গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সাথে গোপন আতাত করে ভোট কেন্দ্রে পছন্দের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ,বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়-মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ,শিক্ষকদের বেতন উত্তোলন,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন,মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী,বিভিন্ন অসামাজিক  কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সাজা কম-বেশি করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে আলমগীর হোসেনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি কিভাবে এ বিপুল সম্পদের মালিক হলেন তার সঠিক তথ্য বের হয়ে আসবে।
উপরোক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করলেও বিভিন্ন সম্পদ ক্রয়ের কথা স্বীকার করেন।

Share Button