ভোলা প্রতিনিধি ॥
দ্বীপ জেলা ভোলায় প্রায় ২০লাক্ষ মানুষের বসবাস। জেলাটি নদী,খাল,বিল, আর ইলিশের বাড়ি হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ জেলাতে আসতে কিছুটা আতংকিত হলেও ভিতরে প্রবেশ করলেই মন-মুদ্ধকর জেলা হিসেবে বিবেচিত হয়। একসময়ে ভোলা পৌরসভাটি ছিল অবেহেলায়, কিন্তু মেয়র মনিরের সু-নজরে আজ সেই অবহেলার পৌরসভা কেউ বলে না। এখন সকলের কাছে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে আখ্যায়িত। পৌরসভার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন স্থানে বিনোদনের সু-ব্যবস্থা যা সকলের কাছে শোভা পায়। ভোলার মানুষ আর সাধারণ ভোটারদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ২বারের পৌর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন মনির নামের একজন ব্যক্তি। তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে গড়ে উঠেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন জেল জুলুমসহ নানা অত্যাচারে নিমজ্জিত ছিল। কিন্তু কখনো হেরে যাননি। ভোলা খাল নামে একটি খাল রয়েছে, এটি শহরের মুল পয়েন্টে অবস্থিত । কিছু ব্যবসায়ীদের অবহেলা আর কু-নজরে থাকায় খালটিতে ময়লা আবর্জনা ফেলে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করছেন। বিপদের সময় যখন ঘনিয়ে আসে পাওয়া যায় না এই খালটি থেকে কোন উপকার। বিএনপির আমলে খালটি খননও করা হয়নি, যার কারনে খালটি অবহেলায় রয়েছে। সেই অবহেলার খালটি চোখে পড়ে মেয়র মনিরের, তৈরি করা সম্ভব মানুষের উপকারের জন্য।
খালের রুপ আর বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে ৩২কোটি টাকা ব্যয় নির্মিত হবে ওয়াকওয়ে। থাকবে পরিস্কার পরিছন্ন যুগোপযোগি পানির ব্যবস্থা। পাশে থাকছে সুন্দর এবং বিনোদনেরও ব্যবস্থা। আওয়ামী লীগ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এধরনের পরিকল্পনা সবার কাছে মুদ্ধকর হিসেবে বিবেচিত। খালটির পাশে দখল করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে খালের মান-সম্মান রক্ষার জোর চেষ্টায় মেয়র মনির। এই খালটি এখন হতে পারে বাংলাদেশের সর্বাধুনিক একটি খাল, যা মানুষের কাছে বিরল ইতিহাস হয়ে থাকবে। ভোলা পৌরসভার ২বারের নির্বাচিত মেয়র মনিরু জ্জামান মনিরের সফল দক্ষতায় সেই খাল আর অবহেলায় থাকবে না। ভোলার মানুষ খালটি যেন ব্যবহার করতে পারে এমন ধরনের ব্যবস্থার কাজ ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৪জানু) সকালে খালের সৌন্দয্য বর্ধনের জন্য মুখে পড়ে নিজ বাড়িরর দেয়াল, নিজেই হ্যামার হাতে নিয়ে ভেঙ্গে দিলেন সেই দেয়াল। এরপর উন্নতকরনের লক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন করেন খালটির কাজ। আর মানুষ ফিরে পাচ্ছে একটি দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে।
জানতে চাই মেয়র মনিরের কথা, আমার নেতা তোফায়েল আহমেদ এমপির প্রচেষ্টায় এবং ভোলার মানুষের ভালোবাসায় । যুগিরঘোল হাসপাতালের পোল থেকে বাংলাস্কুল পোল পর্যন্ত খালের উভয়পারে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। যা সকল মানুষের কাছে একটি গ্রহনযোগ্য খাল হিসেবে বিবেচিত হবে। পৌরবাসির জন্য যা করার দরকার আমি তা করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে শহরে নির্মিত হচ্ছে উন্নয়নমুলক কাজ। এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এ জন্য যাদের স্থাপনা খালের মধ্যে পড়ছে তা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র মনিরুজ্জামান।
উন্নয়ন এটা দিয়েই শেষ নয়, আধুনিক পৌরসভা, সরকারি স্কুলের মাঠ, ইলিশ ফোয়াঁরা, শহিদ মিনার, আধুনিক প্রস্তস্থ সড়ক, ঈদগাহ মাঠ, জেলা পরিষদ দৃষ্টিনন্দন পুকুর, সরকারি বালিকা বিদ্য্লায়ের ফোয়ারা ও আধুনিক মানচিত্র, যুঘিরঘোল ফোয়াঁরা, ওয়েস্টজোন, মহিলা বিনোদন মাঠ ও পার্ক,শহরে আধুনিক ব্রিজ ,হাতির ঝিল ব্রিজ, হ্যালীপাড মাঠ, আধুনিক বাসস্ট্যান্ড, বহুতল কিচেন মার্কেট,শারীরিক শিক্ষার জন্য সরকারি স্কুল মাঠে নির্মিত ব্যামাগার। আধুনিক ড্রেনসহ নির্মিত হয়েছে অসংখ্য উন্নয়ন। মেয়র মনিরের ধারাবাহিক উন্নয়নের ছোয়ায় আজ প্রশংসায় ভাসছে ভোলাবাসির কাছে, সকলের কাছে মনির নামে পরিচিত। ভোলা হচ্ছে একটি উন্নত আধুনিক জেলা। এখানে গ্যাস আর বিদ্যুতে ভরপুর। ভোলাবাসির মুখের ভাষা, মেয়র মনির একজন দক্ষ সফল মেয়র। শুধু তিনি মেয়র নন আমাদের পৌরপিতা। যার উন্নয়ন সবাই দেখতে পায়। আমরা আনন্দিত তিনি আমাদের মেয়র। আধুনিক রুপে সাজিঁয়েছে ভোলা পৌরসভাকে।

Share Button