প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী রামি আল-হামদাল্লাহ ও তার নের্তৃত্বাধীন জোট সরকার। মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন রামি। এ ঘটনাকে হামাসের সঙ্গে ফাতাহ গ্রুপের ঐক্য পুনরুস্থাপনের পথে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্সের।

মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকরে পর প্রধানমন্ত্রী রামি জানান, পদত্যাগের ঘোষণা দেয়া হলেও নতুন সরকার গঠিত হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবে তার সরকার।

এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তবে এর আগে তার দল ফাতাহ’র নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, যদি রামির নেতৃত্বাধীন সরকার পদত্যাগ করে তবে নতুন সরকার গঠন করা হবে।

আর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামাস বলেছে, ‘ফিলিস্তিনের রাজনীতি থেকে হামাসকে একঘরে করা ও হঠানোর প্রচেষ্টার অংশ এটি।’

ফিলিস্তিন সরকারের পদত্যাগ

২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয় হামাস। তখন ফাতাহ’র নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিন সরকার পশ্চিমতীর ভিত্তিক হয়ে পড়ে।

২০১৪ সালে হামাসের সঙ্গে ফাতাহ গ্রুপের ঐক্য পুনরুস্থাপনের লক্ষ্যে চেষ্টা চালান শিক্ষাবিদ রামি হামাদাল্লাহ। পরে তার নেতৃত্বে উভয় দলের সদস্যদের অংশগ্রহণে ফিলিস্তিন সরকার গঠিত হয়।

আরও পড়ুনঃ মিয়ানমারে সুচি-সেনাবাহিনী মুখোমুখি

কিন্তু ক্ষমতার ভাগাভাগি কিভাবে হবে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে- এমন প্রশ্নে দ্বন্দ্ব মেটানো সম্ভব হয়নি। এরই জেরে পদত্যাগ করলো রামির নের্তত্বাধীন জোট সরকার।

Share Button