চার বছর আগে বন্দরের গৃহবধূ নিশা বেগমকে কুপ্রস্তাব দিয়ে জড়িয়ে ধরেন নন্দাই আব্দুর রহমান। এ সময় নিশা চিৎকার দিলে আব্দুর রহমান তার বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক ওই গৃহবধূকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

গৃহবধূ নিশা বেগম হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আব্দুর রহমানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানা এ দণ্ডাদেশ দেন। রায়ের সময় আসামি অসুস্থ থাকায় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহমান রূপগঞ্জ উপজেলার জামাল প্রধানের ছেলে। নিহত নিশা বন্দর নোয়াদ্দা এলাকার তাজুল ইসলামের স্ত্রী।

জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আবদুস শাকের খান তথ্যটি নিশ্চত করে বলেন, ‘২০১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কাতার প্রবাসী তাজুল ইসলামের বোনের স্বামী আবদুর রহমান নিশাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় নিশা চিৎকার দিলে আবদুর রহমান তার বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক ওই গৃহবধূকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই রাব্বি মিয়া বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি আবদুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত।’

আরও পড়ুনঃ কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলার রায়: ১ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৯ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আসামি অসুস্থ থাকায় আদালতে অনুপস্থিত থাকলেও তিনি কারাগারে রয়েছেন বলেও জানান এপিপি।

Share Button