রংপুর অফিস:
পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় আসামী করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদি পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আসামীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছেন। এমন অভিযোগ করেছেন রংপুর মহানগরীর তালুক রঘু (বগুড়াপাড়া) এলাকার এক অসহায় পরিবার। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ওই মামলার আসামী জাহিদুল ইসলাম মিঠুর কাছ থেকে তার ফুফাতো বোন সাবিনা বেগম পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার নিয়েছেন। সাবিনার স্বামী টাঙ্গাইলে থাকায় ওই পাওনা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে একের পর এক সময় নেন সাবিনা। পরে এনিয়ে মিঠু তার মামাতো বোন সাবিনাকে টাকা চেয়ে চাপ সৃষ্টি করলে ক্ষুদ্ধ হয়ে গত ১২ জানুয়ারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিঠুর বিরুদ্ধে মামলা করেন সাবিনা। এ মামলার পর থেকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন সাবিনা ও তার মামলার স্বাক্ষীদ্বয়। কোন রকম তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষা ছাড়াই পুলিশ মামলা গ্রহণ করে আসামীর অসহায় পরিবারকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। এ মামলার স্বাক্ষী একই এলাকার ব্যবসায়ী নুর আলম ও সবুজ মিয়ার কাছেও মিঠু কিছু টাকা পেতেন। এনিয়ে পাওনা টাকা চাওয়াতে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। তাদের সাথে যোগসাজোগ করে সাবিনা মিঠুকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা সাজিয়ে আসামী করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জাহিদুল ইসলাম মিঠুর পিতা নুরুল ইসলাম, বড়ভাই শাহিন আলম ও স্ত্রী শারমিন আকতারসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এব্যাপারে মেট্রেপলিটন পুলিশের মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতারুজ্জামান প্রধানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ ধরণের একটি মামলা হয়েছে। ধর্ষণের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করছি। এদিকে মামলার বাদি সাবিনা বেগম বলেন, মিঠু আমার মামাতো ভাই হয়। তার সাথে আমার কোন অর্থনৈতিক লেনদেন নেই। ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করতেই এখন টাকা ধার দেয়ার বিষয়টি ছড়াচ্ছে। এসময় সাবিনা বলেন, আমাকে ধর্ষণ করেছে। এজন্যই আমি ৬ ফেব্রুয়ারি মেডিকেল টেস্ট করেছি।

Share Button