বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ-২০১৯ ঘোষণা করেছে হজ অ্যাজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।রাজধানীর নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরির হলরুমে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

হাব মহাসচিব এম শাহাদাত হোসেন তসলিম হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার সর্বনিম্ন খরচ জনপ্রতি ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকা। রবিবার থেকে হজের নিবন্ধন শুরু হবে। হজযাত্রীদের আগামী ২০ মার্চের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট হজ অ্যাজেন্সিকে পরিশোধ করতে হবে।

ঘোষিত প্যাকেজে বিমান ভাড়া ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়া ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা, সৌদি আরবে প্রদেয় বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ ও পরিবহন ভাড়া ৪০ হাজার ৮৮২ টাকা ৫০ পয়সা, জমজমের পানি ২৬০ টাকা, অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাট ৩৫ হাজার ৪৩৭ টাকা ৫০ পয়সা, স্থানীয় সার্ভিস চার্জ ৮০০ টাকা, হজযাত্রীদের কল্যাণ তহবিল ২০০ টাকা, প্রশিক্ষণ ফি ৩০০ টাকা, চিকিৎসা কেন্দ্র ফি ১০০ টাকা, খাওয়া খরচ ৩০ হাজার, অন্যান্য খরচ ১ হাজার ২১৫ টাকা ও প্রাক-নিবন্ধন ফি ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শাহাদাত হোসেন তসলিম জানান, মধ্যস্বত্বভোগী দালালের কাছে নয়, সরাসরি এজেন্সির কাছে হজের টাকা জমা দিবেন। হাব মহাসচিব বলেন, হজ এজেন্সির কারণে হজযাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন না। মধ্যস্বত্বভোগী দালাল ও ফড়িয়াদের কাছে টাকা জমা দিয়েই তারা বিপদে পড়েন। বাড়ির পাশের লোকটির কাছে টাকা জমা দিয়ে তারা মনে করেন নিরাপদে হজযাত্রা করতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে পড়েন বিপাকে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হাবের সম্মিলিত উদ্যোগ সর্বোপরি হজ গমণেচ্ছুদের সচেতন হতে হবে।

আরও পড়ুন: দুদকের অভিযান: ১০০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার

এ বছর নিবন্ধনের পর হজযাত্রীরা যে ভাউচার পাবেন তার নিচে নিয়মাবলীতে বাকি টাকা সরাসরি হজ অ্যাজেন্সির কাছে জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকবে বলে জানান হাব মহাসচিব।

Share Button