সারাক্ষণ শত্রুপক্ষের হাতে ধরা পড়ার আতঙ্কে ছিলেন জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস’র প্রধান আবু বকর আল বাগদাদি। তাই মারা যাওয়ার আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। এমনকি রাখাল সেজেও প্রাণে বাঁচার চেষ্টা করেছিলেন। তার সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে এসেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার

গত ২৬ অক্টোবর সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের বারিশা এলাকায় বাগদাদির গোপন আস্তানায় হানা দেয় মার্কিন বাহিনীর অভিজ্ঞ ডেল্টা এবং ৭৫তম রেঞ্জার রেজিমেন্ট। হঠাৎ এই হামলায় কোণঠাসা হয়ে পড়েন তিনি। তিন সন্তানকে নিয়ে একটি সুড়ঙ্গের মধ্যে আশ্রয় নেন। সেখানেই আত্মঘাতী জ্যাকেটের বোতাম টিপে তিন সন্তান ও নিজেকে উড়িয়ে দেন বাগদাদি। সেই সময় তার কয়েকজন অনুচরও ওই আস্তানায় ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন মার্কিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মারা যায়। আত্মসমর্পণও করে কয়েকজন। আত্মসমর্পণকারী ওই আইএস জঙ্গিরাই মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছে বাগদাদির জীবনের শেষ দিনগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ হলো জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’

একই কথা বলেছেন বাগদাদির আত্মীয় মোহাম্মদ আলী সাজিদ। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের আল আরবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, সারাক্ষণ আতঙ্কে ভুগতেন বাগদাদি। এ কারণে নজরদারি এড়াতে মেষপালকের ছদ্মবেশও নিয়েছিলেন।

Share Button