রাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ম্যাচ কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর)। কিন্তু তার আগেই বদলে গেল কলকাতার নেতৃত্ব। নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এউইন মরগানকে। কেকেআর ম্যানেজমেন্ট অবশ্য এক টুইটে দাবি করেছে অধিনায়কত্বের বদলটা আসলে ‘দায়িত্বের হাত বদল’।

২০১৮ আইপিএল মৌসুমে কলকাতার অধিনায়ক হয়েছিলেন কার্তিক। দুইবারের আইপিএল-শিরোপাধারী ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে তাঁর পথচলাটা অবশ্য খুব সাফল্যমণ্ডিত নয়। প্রথমবার নক আউট পর্যায়ে দলকে নিতে পারলেও গত মৌসুমে পাঁচে থেকে আইপিএল শেষ করে কলকাতা। দীর্ঘ দিনের অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের বদলে কার্তিককে অধিনায়ক করা হয়েছিল।

এবার আইপিএলে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারছেন না দিনেশ কার্তিক
এবার আইপিএলে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারছেন না দিনেশ কার্তিক
ছবি: টুইটার

করোনাভাইরাসের কারণে এ মৌসুমে আইপিএল মার্চ থেকে পিছিয়ে শুরু হয়েছে সেপ্টেম্বরে। সেটিও হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে কার্তিক সেভাবে এখনো নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তাঁর নিজের পারফরম্যান্সও প্রত্যাশা মাফিক নয়। ৭ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ১০৮ রান। কলকাতা আছে পয়েন্ট তালিকার চারে। ভারতীয় পত্রিকা হিন্দুস্তান টাইম জানিয়েছে, নিজের ব্যাটিংয়ের প্রতি মনোযোগ বাড়াতেই নাকি কার্তিক অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কেকেআর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা ভাগ্যবান যে দিনেশ কার্তিকের মতো একজন ক্রিকেটারকে অধিনায়ক হিসেবে পেয়েছিলাম। তিনি সব সময়ই দলকে সবার আগে স্থান দিতেন। তাঁর মতো একজন ক্রিকেটারের পক্ষে নিজে থেকে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া অনেক বড় একটা ব্যাপার। যদিও আমরা তাঁর এ সিদ্ধান্তে কিছুটা আশ্চর্য হয়েছি, কিন্তু তাঁর নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও শ্রদ্ধা আছে আমাদের।’

 কেকেআর অবশ্য এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের আরও ভাগ্যবান মনে করছে মরগানের মতো বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে দলে পেয়ে, ‘২০১৯ বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এউইন মরগানকে নতুন অধিনায়ক হিসেবে পেয়েও আমরা ভাগ্যবান মনে করছি নিজেদের। তিনি সহ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দিনেশ কার্তিক ও মরগান—দুজনেই একসঙ্গে দারুণ কাজ করেছেন। যদিও মরগান এখন দায়িত্ব নিয়েছে, কিন্তু এ ব্যাপারটি আক্ষরিক অর্থেই দায়িত্বের হাত বদল।

কার্তিক এবারের আইপিএল এখনো পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে একটি ফিফটি পেয়েছেন। সেটি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে। এরপর তাঁর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৩০—মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে।

Share Button