ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট ওয়াসিফ আহমদকে সস্ত্রীক মারধর করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাময়িক বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে দুইদিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান শুনানি শেষে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিনদিনের রিমান্ড শেষে আজ ইরফান সেলিম ও জাহিদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে ফের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মবিনুল হক। শুনানি শেষে বিচারক দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে সস্ত্রীক মারধর করার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর গত ২৮ অক্টোবর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে তিনদিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে সস্ত্রীক মারধরের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর চকবাজার দেবীদাস ঘাট লেন এলাকায় সাংসদ হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে মদ্যপান ও ওয়াকিটকি রাখায় তাকে এক বছরের সাজা দেওয়া হয়। পরে ডিএসসিসির কাউন্সিলর পদ থেকে ইরফানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এর আগে ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা হয়। নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলার আসামিরা হলেন- ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, হাজি সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দীপু ও গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন।

Share Button