আশজাদ রসুল সিরাজী :
গাজীপুরের শ্রীপুরে শিশু বলৎকার মামলার প্রধান আসামী মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী মোঃ মুকবুল হোসেন(৫০)কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১, পোড়াবাড়ী ক্যাম্প গাজীপুর।
র‌্যাব-১ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন কেওয়া পশ্চিমখন্ড এলাকার অধিবাসীর শিশু ছেলে ভিকটিম(১২)’কে মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী মোঃ মুকবুল হোসেন(৫০) মসজিদে কোরআন শিক্ষা দিবে বলে তার বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে তার বসত বাড়ীর ২তলার পশ্চিম পাশের রুমে নিয়ে স্প্রিড ক্যান ও বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে তার সাথে প্রেম প্রেম খেলার ছলনা দেখিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার পরিহিত হাফ প্যান্ট খুলে ক্রিম জাতীয় মলম ব্যবহার করে প্রকৃতির নিয়মের বাহিরে তার পায়ুপথে যৌন সংগম করে। একপর্যায়ে ভিকটিম অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামী মুকবুল দ্রুত পালিয়ে যায়। ভিকটিম অসুস্থ্য হওয়ায় পরবর্তীতে ভিকটিমের পরিবার তাকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা করান। এই বিষয়ে ভিকটিমের পিতা র‌্যাব-১, গাজীপুর কার্যালয়ে এসে জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দিয়ে আইনগত সাহায্য কামনা করে। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-১ এর চৌকস আভিযানিক দল উক্ত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে সোর্স নিয়োগসহ র‌্যাবের সকল ধরনের গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় ০৯ নভেম্বর দিবাগত রাত ৮.৩০টায়র সময় র‌্যাব-১, স্পেশালাইজড্ কোম্পানী পোড়াবাড়ী ক্যাম্প, গাজীপুরের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উপরোক্ত মামলার পলাতক আসামী গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অত্র কোম্পানীর কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বলৎকার মামলার মূলহোতা আসামী মোঃ মুকবুল হোসেন(৫০) মৃত আব্দুল হাফিজের ছেলেকে গ্রেফতার করে।
 র‌্যাব আরো জানায়, ধৃত আসামী র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে ও নিজ মুখে তার বর্ণনা দেয়।  এছাড়াও ধৃত আসামী একাধিক শিশু বলৎকার ঘটনার সাথে জড়িত বলে সে নিজ মুখে স্বীকার করে। উক্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারের পর শ্রীপুর এলাকার হাজার হাজার মানুষ আনন্দ উল্লাস করেন।
Share Button