বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ইতোমধ্যে বিশ্বে একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এতে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে এবং ২০ জানুয়ারি জো বাইডেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন, তাহলে সারা বিশ্বে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইবে।

 কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। বিশ্বে শান্তি ও গণতন্ত্রায়ণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ভাষণে সেরকম ইঙ্গিতই দিয়েছেন জো বাইডেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র বা জো বাইডেন কিছু করে দেবে না।

সেরকম ভাবার কিছু নেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশের মানুষকেই ভূমিকা রাখতে হবে। গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ অতীতে যেমন আন্দোলন করেছে, বর্তমানেও তা অব্যাহত আছে। আমাদের রাজনীতিতে দেশটির সরকারের ভূমিকা আশা করি না। তবে দেশটি এখন যেমন গণতন্ত্রের পক্ষে রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আশা করি।

ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরালো ও শক্তিশালী হবে বলে আশা করি।

Share Button