রংপুর ব্যুরো: জিংক ধানের ভাত খাই ,শরীরে জিংকের ঘাটতি মেটাই। হারভেষ্টপ্লাস প্রকল্পের সহযোগীতায় আরডিআরএস বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত রংপুর এর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গধৎশবঃরহম ড়ভ ইরড়ভড়ৎঃরভরবফ তরহপ জরপব ঝববফ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ রোববার দুপুরে আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর এর উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. সরওয়ারুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এতে সভাপতিত্ত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) রংপুর এর উপপরিচালক (বীজ বিপণন) মো: আসাদুজ্জামান খান, বক্তব্য রাখেন আরডিআরএস এর সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর (কৃষি ও পরিবেশ) মোঃ মামুনূর রশিদ,বিরির উর্ধ্বতণ সান্টিফির অফিসার ড, মো: মাসুদ রানা ,বিনার মোতাব্বর রহমান ,মো: রুহুল আমিন মন্ডল প্রমূখ । শুভেচ্ছা বক্তব্যে আরডিআরএস বাংলাদেশ এর সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর (কৃষি ও পরিবেশ) মোঃ মামুনূর রশিদ বলেন জিঙ্কসমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষক পর্যায়ে মানস¤পন্ন ধানবীজের সরবরাহ এবং উৎপাদিত ধান সংগ্রহ করে মিলার এর মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে আরডিআরএস বাংলাদেশ হারভেস্টপ্লাস প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বীজ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পদ্ধতি ও ধাপসমূহ উল্লেখ করে এই প্রকল্পকে সাধুবাদ জানান।বিশেষ অতিথি হারভেস্টপ্লাস প্রকল্পের অমৎরপঁষঃঁৎব জবংবধৎপয ধহফ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ঙভভরপবৎ (অজউঙ) মো: রুহুল আমিন মন্ডল জিংক সমন্ধে প্রাথমিক আলোচনা করেন এবং বলেন জিংকের অভাবে ডায়রিয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, টাক সমস্যা,খাটো হওয়া, মাতৃত্বজনিত সমস্যা এবং নিউমোনিয়া দেখা দেয়। এরপর তিনি জিংক সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধানের জাত বাজারজাতকরণের উপর আলোচনা করেন।উক্ত কর্মশালায় রংপুর, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার ১০ জন ডিলার ও আরডিআরএস বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট জেলার কৃষি কর্মকর্তা; এছাড়াও ইস্পাহানী, নীলসাগর, এসিআই, সুপ্রিম সীড কো¤পানির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

Share Button