স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বায়ুদূষণ। শ্বাসকষ্টজনিত রোগকে কার্ডিওভাসকুলার রোগে পরিণত করতে পারে এই দূষণ। তাই ফুসফুস ভালো রাখতে যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। ফুসফুস আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি। শ্বাস-প্রশ্বাস, রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ, কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমনসহ দেহের অনেক জরুরি কাজ করে। ফুসফুস প্রাণীর চালিকাশক্তি। সুস্থ ফুসফুসের কারণে মানুষ সুস্থভাবে জীবনযাপন করে থাকে।

আসুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে ভালো রাখবেন আপনার ফুসফুস-

আদাঃ সর্দি-কাশি নিরাময়ের ঘরোয়া পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় আদা।  শ্বাসনালি থেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে আদা। এতে উপস্থিত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, জিংকের মতো ভিটামিন এবং খনিজ ফুসফুসের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

হলুদঃ শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে প্রদাহ এবং শ্লেষ্মা দূর করে হলুদ। রোগ প্রতিরোধ তৈরি করতে এবং শরীরকে ডিটক্সাইফাই করতে হলুদের জুড়ি নেই। এই উপাদানটির সক্রিয় যৌগ প্রাকৃতিকভাবে ফুসফুসকে পরিষ্কার করে। দুধ, তরকারি, সালাদে কাঁচা বা গুঁড়ো হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।

মধুঃ প্রাকৃতিক মিষ্টি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য জনপ্রিয় মধু। এটি শ্বাসকষ্ট কমায়। নিঃশ্বাস পরিষ্কার করতে এবং ফুসফুসের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক। হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু ফুসফুস পরিষ্কার করার জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পেতেও সহায়তা করে।

রসুনঃ রসুনে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক শক্তিশালী যৌগটি অ্যান্টিবায়োটিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ নিরাময়ে সাহায্য করে। এটি শ্লেষ্মা এবং শ্বাসকষ্ট দূর করতে সহায়তা করে। ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও হ্রাস করতে সাহায্য করে এই খাবার। রসুন হাঁপানি রোগীদের জন্য বেশ কার্যকর।

Share Button