বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস। ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস থেকে বেশকিছু কর্মী সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে আমেরিকা। তবে আগামী বছর জানুয়ারির পর এই প্রত্যাহার তুলে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্যা ওয়াশিংটন পোস্ট।

 ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদের হত্যাকাণ্ড এবং আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার বার্ষিকীকে সামনে রেখে মার্কিন সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে কাসেম সোলাইমানিকে মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনী বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে হত্যা করে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই কর্মী প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এদিকে বাগদাদ দূতাবাস থেকে কর্মী প্রত্যাহার করার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নীতি সমন্বয় বিষয়ক কমিটির মঙ্গলবারের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সূত্র জানিয়েছে, বাগদাদ দূতাবাস থেকে আংশিক কর্মী সাময়িকভাবে প্রত্যহার করা হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ইরাকে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ম্যাথু টুয়েলার ইরাকেই আছেন এবং তিনি তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বের অনান্য প্রান্তেও পররাষ্ট্র দপ্তর তার কূটনৈতিক উপস্থিতি বজায় রাখা সহ সব কাজ স্বাভাবিকভাবে চলছে।

ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরাক ও ইরানের মিত্রদের উপর চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরান ও বিশ্বশক্তিদের মধ্যে একটি পারমাণবিক চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার ইরানের বিশিষ্ট পারমাণবিক বিজ্ঞানী মোহসেন ফখরিজাদেহ নিহত হওয়ার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল

Share Button