[খুলনা হয়ে ব্যাট করতে নেমে বোল্ড আউট সাকিব। ছবি: সংগৃহীত]

ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করে নিষিদ্ধ হওয়ার আগে ২০১৯ বিশ্বকাপে অতিমানবীয় পারফরম্যান্স করেছিলেন সাকিব আল হাসান। ৬০৬ রান ও ১১ উইকেটের সেই ঈর্ষন্বীয় পারফরম্যান্স কখনোই বিস্মৃত হবে না বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠের ক্রিকেটে সাকিবের প্রত্যাবর্তন হয়েছে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে। কিন্তু চলমান টুর্নামেন্টে যেন অচেনা সাকিবই ধরা দিচ্ছেন ২২ গজে!

টুর্নামেন্টে জেমকন খুলনার হয়ে আট ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ৮২ রান ও বোলিংয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। হাড্ডিসার এই পারফরম্যান্স তার নামের পাশে বড্ড বেমানান। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে এত লম্বা সময় বড় রান না পাওয়ার নজির তার ক্যারিয়ারে জুড়েই নেই। সর্বোচ্চ ১৫ রান করেছেন গত ৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের ও ২৪ নভেম্বর বরিশালের বিপক্ষে। দুঅঙ্কের ঘর পার হয়েছেন আরও তিনটি ম্যাচে। আর তিন ম্যাচে দুঅঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

ক্রিকেটাঙ্গন জুড়ে তাই সবার মুখে মুখে ফিরছে কবে সেরা ছন্দে দেখা যাবে সাকিবকে? ৩৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার অবশ্য নির্ভার আছেন। গতকাল ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সাকিব বলেছেন, ‘দেখি কত দ্রুত কামব্যাক করা যায়। চেষ্টা থাকবে যেন ভালো করতে পারি। বাকিটা দেখা যাক।’

স্থানীয় কোচ ও সাকিবের সতীর্থরা আগেই আশঙ্কা করেছিলেন যে, ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের। নিষেধাজ্ঞার কারণে এক বছর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন তিনি। ফিরে এসে টানা আট ম্যাচ খেললেও স্বরূপে ফিরতে পারেননি সাকিব।

ব্যাট হাতে উইকেটে থিতু হতে পারছেন না তিনি। গতকাল যেমন ৮ রান করে অফস্পিনার রবিউল ইসলাম রবির বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে শর্ট থার্ড ম্যানে রুবেলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। এদিন বল হাতেও সময়টা ভালো কাটেনি সাকিবের। নিজের প্রথম ওভারে চার ছক্কাসহ ২৬ রান দিয়েছিলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। পরে ৩ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন।

Share Button