টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-
টাঙ্গাইলের কালিহাতী, ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি ইটভাটায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা ও একটি ভাটার চুল্লি ভেঙে দিয়েছে ভ্রাম্যান আদালত। বুধবার(৯ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদেকুর রহমান সবুজের নেতৃত্বে ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, র‌্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদেকুর রহমান সবুজের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে পাঁচটি ইটভাটাকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করেন। ইটভাটাগুলো হচ্ছে- কালিহাতী পৌরসভার মেয়র আলী আকবর জব্বারের মেসার্স সততা ব্রিকসকে এক লাখ টাকা, মুনসব আলীর এএএস ব্রিকসকে এক লাখ টাকা, ঘাটাইল উপজেলার জুবায়ের আব্দুল্লাহ জুয়েলের মেসার্স সচল ব্রিকসকে তিন লাখ টাকা, সাখাওয়াত হোসেন বকুলের মালিকানাধীন মেসার্স কেআরবি ব্রিকসকে এক লাখ টাকা এবং মধুপুর উপজেলার হাফিজুর রহমান স্বপনের মালিকানাধীন প্রগতি ব্রিকসকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এরমধ্যে মেসার্স সচল ব্রিকস পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লাকড়ী পোড়ানোর দায়ে তিন লাখ টাকা ও প্রগতি ব্রিকসে সনাতন পদ্ধতির চুলা ব্যবহার করায় ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে আগুন নিভিয়ে চুলাটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলাধীন পশ্চিম-সীমান্ত লোকেরপাড়া ইউনিয়নের, গড়িশ^র, লোকেরপাড়া ও দশআনীবকশিয়া মৌজায় গত বছরে গড়ে উঠেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ও অন্যান্য কাগজপত্র ছাড়াই গড়ে উঠেছে ঝিকঝাক নামক একটি ইটভাটা। গত বছরের ইটভাটাটির কোনকাগজপত্র না থাকায় মোবাইলকোর্ট করে প্রশাসন জারিমানা ও ফায়ার সার্ভিস দিয়ে ইট ভাটার আগুন নিভিয়ে দেয়। আগুন নিভানোর কয়েকদিন পড়েই আবারো ঝিকঝাক ইট ভাটাটি অবৈধ্য ভাবে ইট পোড়ানো শুরু করে। চলতি ইট পোড়ানোর মৌসুমে আবারো কাগজপত্র বিহীন অবাধে ইট পোড়ানো শুরু করে। এলাকার আবাদি চাষীরা ইট বাটার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ঝিকঝাক ইটভাটাটি তিন ফসলী জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশা মানুষ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ ইটভাটা কিছু বলতে রাজী নয়।

Share Button