রংপুর ব্যুরো:

আন্দোলন স্থগিত করার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্যামপুর চিনিকলের আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আখচাষীরা। রিফাইনারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আমলাদের যোগসাজসি ষড়যন্ত্রে চিনিকল বন্ধ করার অভিযোগও তাদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিনিকলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এই অভিযোগ করা হয়।

সকাল ৯ টা থেকে শ্যামপুর চিনিকলটির প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। বেলা ১১ টায় সহস্রাধিক শ্রমিক, কর্মচারী, আখচাষী ও এলাকবাসি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে চিনিকলের বহিরাঙ্গন ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবারও প্রধান ফটকে এসে অবস্থান নেন।
সেখানে সমাবেশ থেকে শ্যামপুর এম্পলয়েজ ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক বুলু আমীন অভিযোগ করেন, চিনিকলেল ব্যবস্থাপনা পরিচালকের রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনের লোকজান আন্দোলন স্থগিত করার জন্য চাপ দিয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা হতবাক হয়েছি। তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে অথবা সরকার পতনের জন্য নয়। এই আন্দোলন কেউ কোনভাবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পারবে না। এই আন্দোলন রুটি রুজির আন্দোলন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এসময় শ্যামপুর আখচাষী কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সাগর বলেন, মিল বন্ধের ষড়যন্ত্রের সাথে সরকারের আমলারা দায়ী। বেসরকারি রিফাইনারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আমলারা যোগসাজস করে সরকারী খাতকে ধংস করে দিয়ে বেসরকারি খাতে চিনি শিল্প ছেড়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এতে চিনির বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যেই ৬ টি চিনিকল বন্ধ হওয়ায় চিনির দাম কেজিতে ১০/১৫ টাকা বেড়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

Share Button