[ছবিঃ সংগৃহীত ]

কানাডায় সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) থেকে টরন্টো এবং কুইবেক সিটিতে টিকা দেয়ার মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাসের কার্যক্রম কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অটোয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ভ্যাকসিনের খোঁজ খবর নিয়ে সারাদেশে চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য পেশাদার স্বাস্থ্যকর্মীদের আবারো প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান। কারণ তারা জনগণকে সুস্থ, সুরক্ষিত রাখার জন্য, রোগ মুক্তির জন্য অবিশ্বাস্য কাজ করে চলেছেন।

তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত কোভিড ভ্যাকসিনে বড় ধরনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, কানাডার ফেডারেল সরকার ‘ভ্যাকসিন ইনজুরি সাপোর্ট প্রোগ্রাম’ নামের একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। টিকা নেয়ার পর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ক্ষতিপূরণ দিতে এই কর্মসূচি গ্রহণ করে দেশটি। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কানাডায় ফাইজারের টিকা অনুমোদনের পর এ কথা জানিয়েছেন।

কানাডায় ৩০ হাজার ডোজ করোনার টিকা সরবরাহ করা হবে। শুরুতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে এই টিকা দেওয়া হবে। কানাডা সরকার ইতিমধ্যে এই টিকার দুই কোটি ডোজের ক্রয়াদেশ দিয়ে রেখেছে। প্রয়োজনে তারা আরও টিকা কিনবে। গত বুধবার ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা হেলথ কানাডা। তারা জানায়, টিকাটি নিরাপদ, কার্যকর ও ভালো মানের বলে প্রমাণ পাওয়ায় তা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কানাডার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ। প্রাথমিক ভাবে ৩০ হাজার ডোজ করোনার টিকা সরবরাহ করা হচ্ছে। শুরুতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে এই টিকা দেয়া কার্যক্রম চলছে। সরকার ইতিমধ্যে এই টিকার দুই কোটি ডোজের ক্রয়াদেশ দিয়ে রেখেছে। প্রয়োজনে তারা আরও টিকা কিনবে।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার ৪৩১ জন।

Share Button