সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা মন ও মননে এদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তিবলয়কে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর সেতু ভবনে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা এবং বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বের কথা বলে অথচ বিদেশিদের কাছে নালিশ দেয়াই এখন তাদের প্রধান কাজ। স্বাধীন দেশের রাজনৈতিক দল হয়ে বিজয়ের মাসে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য প্রকাশ্যে বিদেশি শক্তির নৈতিক সাহায্য চাওয়া বিএনপি’র দেউলিয়াত্বের লক্ষণ।

তিনি বলেন, বিএনপি দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির নীল নকশা তৈরি করে স্বার্থসিদ্ধির অপচেষ্টায় মেতেছে। এসব অপচেষ্টা অতীতের মতো বুমেরাং হবে। জনগণ এখন অনেক সচেতন। তাদের নেতিবাচক রাজনীতিতে সাড়া দেয়না বলে, বিএনপি জনগণের উপর প্রতিশোধ নিতে চায়।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই আর্থ-সামাজিক অধিকাংশ সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান পার্লামেন্টে বাংলাদেশের কথা আলোচনা হয়। তারা এখন বাংলাদেশ হতে চায়। এখানেই একজন মুজিবের আজন্ম সংগ্রামের সফলতা এবং অর্জন। শেখ হাসিনার ‘ম্যাজিক্যাল লিডারশীপ, ক্যারিশমেটিক সিদ্ধান্ত মেকিং’-এ বাংলাদেশ আজ বিশ্ব-সভার বিস্ময়। বিনা যুদ্ধে জয় করেছেন সুনীল সমুদ্র সীমা, লাখো কোটি তরুণের প্রাণে এখন আত্মমর্যাদা বোধের নবস্বপ্ন। খাদ্য ঘাটতির দেশ এখন অর্জন করেছে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। বন্যা, খরা, মঙ্গা, ঘূর্ণিঝড়ের বাংলাদেশ আজ পারমানবিক বিশ্বের গর্বিত সদস্য।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংককে চ্যালেঞ্জ করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো সাহস একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যারই রয়েছে। তা তিনি প্রমাণও করেছেন। পদ্মাসেতু নির্মাণে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি এবং স্বচ্ছতার সামান্যতম ঘাটতিও ছিলো না। ২০২২ সালে পদ্মাসেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।

সেতু বিভাগের সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন এবং পরিদর্শন করেন।

Share Button