ওপারের অ্যাপে বাংলাদেশি তারকাদের রাজত্ব। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে শোবিজে কামব্যাকটা বেশ হৈ চৈ ফেলেই হলো অভিনেত্রী বাঁধনের। হৈ চৈ অ্যাপে কলকাতার তারকাদের পাশাপাশি বাংলাদেশি তারকাদের চাহিদা অধিক। কারণ বাংলা ভাষার মূল বাজারটা তো বাংলাদেশেই। তাই কিছুদিন আগে চঞ্চল চৌধুরীর ‘তাকদীর’ ওয়েব সিরিজটি ব্যাপক প্রশংসিত ও আলোচিত হয়। এদিকে সৃজিত মুখার্জির নতুন যেকোনো কাজ নিয়ে বাঙালিদের কৌতুহল বেশিই থাকে। তাই সৃজিতের এই ওয়েব সিরিজের নায়িকা কে হবেন তা নিয়েও চলেছে বেশ আলোচনা। অবশেষে কলকাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে জানান দেওয়া হয় বাঁধনের নাম। দু’দিন আগেই বাঁধনের এসব আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত হলেও তাকে মুখে কুলুপ এঁটে থাকতে হয়েছে। কারণ সিরিজটির বিষয়ে প্রযোজকের পক্ষ থেকে বারণ ছিল। তাই বাঁধন কোনো গণমাধ্যমে নিজের স্টেটমেন্ট দিতে পারেননি।

অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর বাঁধন বলেন, ‘এটা তো আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এই দীর্ঘ সময় নিজেকে বদলে নেওয়ার যে শপথ ছিল আমার নিজের ভেতর, হয়তো এমন সময়টার জন্যই অপেক্ষা করেছিলাম। এই সংগ্রামের কথা আমার বন্ধু, গণমাধ্যম কর্মীরা সকলেই জানেন। এর ভেতরে অনেক ধরনের কাজের অফার এলেও ফিরিয়ে দিয়েছি। অবশেষে এই কাজটিকেই মনে হয়েছে নিজেকে নতুনভাবে কামব্যাক করানোর অন্যতম একটি সুযোগ। সৃজিত মুখার্জি সম্পর্কে আলাদা করে বলার কিছু নেই। গুণী এই নির্মাতার কাজে অংশ নিতে পেরে নিজের ভেতরের উচ্ছ্বাসের বুদবুদ বাড়তে থাকে। জানি সকলের প্রত্যাশার পারদও ঊর্ধ্বমুখী, তাই নিজের শতভাগ দেওার চেষ্টা করবো এই কাজটিতে।’

উল্লেখ্য, সাবস্ক্রিপশন ফি-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো অ্যাপ এখনো আসেনি বললেই চলে। সেক্ষেত্রে দেশীয় তারকাদের ডায়েরিতে এখনো এক্সক্লুসিভ কাজ বলতে হৈ চৈ-এ কাজ করাকেই আলাদা করে ভাবতে চাইছেন। সেদিক দিয়ে এখন অবধি বাংলাদেশি তারকারাই রাজত্ব করছে এই অ্যাপটিতে। নতুন সিরিজের ক্ষেত্রে ‘তাকদীর’-এর পর দর্শকদের কৌতুহল পূর্ণ করতে সৃজিতের এই সিরিজটি হতে চলেছে বলা যায়। এখন দেখার বিষয় সৃজিতের রসায়নে নতুন বাঁধনকে কতটুকু ও কিভাবে দর্শকরা গ্রহণ করেন।

Share Button