পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই’র নেতৃত্বে এবং দেশটির সেনাবাহিনীর সমর্থনে সম্প্রতি বিশ্ব দেখলো গিলগিট বালতিস্তানে এক ভয়াবহ কারচুপির নির্বাচন। এর আগে একতরফাভাবে গিলগিট বালতিস্তানকে পাকিস্তানের ‘অস্থায়ী প্রদেশ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া এরই মধ্যে আগামী বছরের শুরুতে পাক দখলকৃত জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচনে কারচুপি করার পরিকল্পনা শুরু করেছে পাকিস্তান সরকার।

এই অঞ্চলে নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রথম ধাক্কাটি প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে করা হয়েছে। এনিয়ে নতুন নির্বাচন আইন ২০২০ চালু করেছে পাক সরকার।

নতুন এই আইনের ফল ভিন্নমতাবলন্বী যারা একাধিক স্তরে নির্বাচন করতে চান তাদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এবং যারা পাক সরকারের আনুগত্য এবং জম্মু কাশ্মীরের সমর্থনে আছে তারাই শুধু নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে।

আজাদ জম্মু কাশ্মীরের নির্বাচনী আইন ২০২০ -এ পাক জম্মু কাশ্মীরের সকল রাজনৈতিক দলের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে যে, তারা জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানের যোগদানের আদর্শে বিশ্বাসী।

এছাড়া এই আইনে, যেসব রাজনৈতিক দল জম্মু কাশ্মীরে পাকিস্তানের প্রবেশের আদর্শে বিশ্বাস না করে তাদের নিবন্ধনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

একই সঙ্গে জম্মু কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক আইন জারি করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, আমি একজন মুসলমান, ঐক্যে এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহ’য় বিশ্বাসী। হযরত মুহাম্মদ শেষ নবী। জি নিউজ

Share Button