তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তায়েপ এরদোগান নিজেকে মহান নেতা হিসেবে পরিচিত করার পরিবর্তে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন। মুসলিম জাতীকে চ্যালেঞ্জ করে মুসলিম উম্মাহর ‘খলিফা’ দাবি করে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রজননভূমিতে পরিণত হয়েছে দেশটি।

শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে একটি নতুন জোটের উত্থান হয়েছে। যারা তুর্কি সরকারের হয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এনজিওর মাধ্যমে ভারত বিরোধী প্রচার এবং ভুয়া খবর চালিয়ে যাচ্ছে।

পাকিস্তানের দিকনির্দেশনায় ভারতবিরোধী কার্যকলাপের একটি নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে তুরস্ক। এ ক্ষেত্রে ভারতবিরোধী যে সকল অভিনেতা এবং পাকিস্তানি এজেন্সি রয়েছে তাদের কাজে লাগানো হচ্ছে।

এছাড়া তুর্কি মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ভারত সরকারের সমালোচনায় ব্যস্ত রয়েছে। যার মধ্যে তুরস্কের রেডিও ও টেলিভিশন (টিআরটি) এবং আনাদোলু এজেন্সি উল্লেখযোগ্য। এই সংবাদমাধ্যমগুলো কাশ্মীরি নাগরিক ও মুসলমানদের উপর তথাকথিত নৃশংসতার অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন বানাচ্ছে।

অপরদিকে ২০১৯ সালে ২৬ ডিসেম্বর তুরস্কের সংবাদপত্র ‘ইয়েনি সাফাক’ একটি নিবন্ধন প্রকাশ করে। যার শিরোনাম দেওয়া হয়, ‘গুজরাট খুনি’। এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ এবং সিএএ-কে মুসলিম বিরোধী আইন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

এছাড়া তুরস্ক এমন কিছু সিরিয়াল প্রচার করছে যা কাশ্মীর উপত্যকায় ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এর মাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য কাশ্মীরিদের ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্ররোচিত করা হচ্ছে। বলা হয়, কাশ্মীরি তরুণদের মগজ ধোলাই করতে পাকিস্তানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে তুরস্ক। সূত্র: জিনিউজ

Share Button