উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন মনে করেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিবেশনার সুযোগ করে দিয়েছে। তাই নির্মাতাদের ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উপযুক্ত চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে শনিবার বিকেলে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিমত ব্যাক্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘সামাজিক-অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ভেদাভেদ ভুলে সকল সভ্যতার মানুষকে একত্রিত করতে পারে চলচ্চিত্র। তাই চলচ্চিত্র উৎসব সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইসামী বলেন, ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিকাশে ভারত সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসবে এবার বাংলাদেশকে ‘ফোকাস’ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে।’

ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উপযুক্ত ছবি নির্মাণের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

১৬ থেকে শুরু হওয়া এ চলচ্চিত্র উৎসব চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বরাবরের মতো এবারের উৎসবেও থাকছে এশিয়ান ফিল্ম প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেন ফিল্মস, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেনস ফিল্ম মেকার বিভাগ। তবে উৎসবে এবারই প্রথম সংযুক্ত হচ্ছে ‘লিজেন্ডারি লিডারস হু চেঞ্জ দি ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘ট্রিবিউট’ নামে আরও দুটি নতুন বিভাগ। যা এবারের উৎসবকে আরও উচ্চতর মাত্রা দেবে। এবারের উৎসবে মোট ৭৩টি দেশের ২২৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

এছাড়া সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আগামী ২০ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ‘সত্যজিৎ রায়: জাতীয় ও বৈশ্বিক’ শিরোনামের মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মফিদুল হক। এই সেমিনারে আসাদুজ্জামান নূর- এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান অভিনেত্রী শর্মীলা ঠাকুর, ধৃতিমান চ্যাটার্জী, বিচারপতি রিফাত আহমেদ এবং চলচ্চিত্র সমালোচক মঈনুদ্দীন খালেদ।