প্রতীকী ছবি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু সংসদকে জানিয়েছেন, গ্রাহকদের কাছে দেশের সরকারি ছয়টি বিতরণ কোম্পানির গ্যাস বিল বকেয়ার পরিমাণ ৯ হাজার ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য দেন।

নসরুল হামিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বকেয়া তিতাস গ্যাসের, এর বকেয়া বিলের পরিমাণ ৬ হাজার ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির বকেয়া ৬৯৬ কোটি ৮১ লাখ, কর্ণফুলীর ৮৪৪ কোটি ৯৫ লাখ, জালালাবাদের ৪৮৩ কোটি ৩২ লাখ, পঞ্চিমাঞ্চলের ১৯৫ কোটি ১৯ লাখ ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির ১২০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

আরেক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী গত ১০ বছরে তিতাস গ্যাসের সিস্টেম লসের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১২-১৩ অর্থবছরে সিস্টেম লস প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এলেও আবার বেড়েছে। ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সিস্টেম লস হয়েছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে; তখন তিতাসের সিস্টেম লস ছিল ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে সিস্টেম লস ছিল ২ দশমিক ১৪ শতাংশ, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১ দশমিক ৮২ শতাংশ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে শূন্য দশমিক ০৩ শতাংশ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে শূন্য দশমিক ৩২ শতাংশ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২ দশমিক ৮১ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ দশমিক ১৭ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ শতাংশ সিস্টেম লস হয়েছে।