ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী একযোগে কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনই করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। টিকা নেওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবসহ তারা অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।

 

রবিবার সকালে মহাখালীর গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে নিজে টিকা নেওয়ার মাধ্যমে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।পরে একই হাসপাতালে টিকা নেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা।

টিকা নেওয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছি কারও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে টিকাদান কার্যক্রম সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে। ৭০ হাজার টিকা আমাদের কাছে আছে। ভারত থেকে বাকি টিকাগুলো পর্যায়ক্রমে আমাদের কাছে এসে পৌঁছাবে। কেউ অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে না পারলে কেন্দ্রে এসে নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারবেন।

টিকা নেওয়ার পর কেমন লাগছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েরমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, করোনার টিকা নিয়েছি আধা ঘণ্টা হয়ে গেছে। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি।

টিকা নেওয়ার পর কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, টিকা নেওয়ার পর স্বাভাবিক রয়েছি। আমি সত্যি ভালো আছি। টিকা নিয়ে খুব আনন্দবোধ করছি।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম সাংবাদিকদের বলেন, টিকা নিয়ে যাতে মানুষের মধ্যে কোনো আতঙ্ক না থাকে সেজন্য আমরা আগেই টিকা নিলাম। পৃথিবীর ১২০টি দেশ এখনো টিকা পায়নি। দেশের সব নাগরিক টিকা পাবে।

টিকা নেওয়ার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, অক্সফোর্ডের টিকা অত্যন্ত নিরাপদ টিকা। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কোনো শঙ্কা না করে নির্দ্বিধায় সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’