ছবিঃ সংগৃহীত

দুই মাসের শিশু সন্তানসহ এক নারীকে হত্যার দায়ে পাকুন্দিয়া উপজেলার পাপদা গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলামকে (২৮) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের প্রথম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আসামিকে দুই লাখ টাকা জরিমানাও করেছে আদালত।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামি নজরুল ইসলাম সম্পর্কে তার ফুফু প্রতিবেশি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী রহিমা খাতুনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের এক পর্যায়ে রহিমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সালিশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের সামাজিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৯ নভেম্বর জেলা শহরের একটি ক্লিনিকে রহিমার ছেলে সন্তান হয়। কয়েকদিন পর নজরুল ইসলাম স্ত্রী-সন্তানকে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।

 

২০১৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রহিমা খাতুন ও শিশুপুত্র আমিরুলকে আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নজরুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর ওই রাতেই মিরারটেক বিলভরা গুদির বিলের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে উভয়ের লাশ গুম করে ফেলা হয়। ২১ জানুয়ারি পুলিশ বিল থেকে দুজনের গলিত লাশ উদ্ধার করে।

 এ ঘটনায় রহিমার ভাই আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে নজরুল ইসলামসহ চার জনকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি একমাত্র নজরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।