কামাল শিশির, রামু

 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যবহৃত মলমূত্র ও ময়লাযুক্ত বর্জ্য পানি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়তেছে।দুর্গন্ধে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর  নাভিশ্বাসের পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠেছে।এতে করে ধানি জমিতে চাষাবাদ ও শস্য উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে  বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

১৭ ফেব্রুয়ারি সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, উখিয়ায় রাস্তার  ধারে    গড়ে ওঠা রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে দূষিত বর্জ্য পানি নিষ্কাশনে  পরিকল্পিত ভাবে কোন ড্রেনেজ  ব্যবস্থা করা হয়নি।  যত্রতত্রভাবে মলমূত্রের  দূষিত বর্জ্য  পানি ছড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, পালংখালী ইউনিয়নের  থাইংখালীর  হাকিম পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যপানি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। সড়কের পাশেই  মলমূত্রের  দূষিত পানির দুর্গন্ধে  স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবেশ দূষিত হয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজনের   বসবাস  দুর্বিষহ  হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক আহমদ  ও নুর মো: জানান ,  সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায়  হাকিম  পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  বর্জ্য পানি প্রধান সড়কের  ধারে  সয়লাব  হচ্ছে ।   মলমূত্রের দূষিত পানি কৃষি  জমিতে ছড়িয়ে পড়ায় চাষাবাদ সহ শস্য উৎপাদনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।  তিনি আরও বলেন, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায়  মলমূত্র পানি যত্রতত্র ভাবে  প্রবাহিত হচ্ছে । বাসযোগ্য   পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত ড্রেন নির্মান জরুরি।

 

একই এলাকার আবদুল  জলিল   ও  আবদুল  কুদ্দুছ জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এনজিও সংস্থার অফিস  ও  বিভিন্ন  শেড বা ব্লকের টয়লেট এবং ব্যবহৃত নোংরা পানি সড়কের  পাশ দিয়ে লোকালয়ে  ছড়িয়ে  পড়ায় পুরো  এলাকা দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠেছে।

হাকিম পাড়ার  সচেতন নাগরিক সমাজ  অবিলম্বে সড়কের দুই পাশে পরিবেশবান্ধব ড্রেনেজ ব্যবস্থা  চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিযেছেন।