চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি।

চরফ্যাসন পৌরসভা নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে।  প্রথমবারের মতো ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর সাহায্যে রবিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৮টায় পৌরসভার ১৭টি কেন্দ্রে কঠোর নিরপত্তার মধ্যে দিয়ে ভোট গ্রহন শুরু হয়।

নির্বাচনকে ঘীরেকেন্দ্র ও ভোটারদের নিরপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি। আর নতুন এই পদ্ধতিতে ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের মাঝে উৎসাহ ও কৌতুহল বিরাজ করছে। তবে  ভোটারদের ভোট কক্ষ খুঁজে পেতে  ভোগান্তি পোহাতে হয়।

চরফ্যাসন নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাযায়, ২৭ হাজার ৫৭১ জন্য ভোটার অধ্যুষিত চরফ্যাসন পৌরসভায় ১৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। এখানে মেয়র পদে ৩জন, সাধারন কাউন্সিলর পদে ২৫জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৬ নং ও ৭ ওয়ার্ডের সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ভোটদানে আগ্রহ তেমন নেই। ওই দুটি কেন্দ্র ভোটার উপস্থিতি কম দেখা যায়। ৭ নং ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রের গোপন বুথের ভিতরে  ভোটারের সাথে এজেন্ট ডুকতে দেখা যায়। ২ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রে  গোপন কক্ষে এক নারী ভোটার  ভোটদানে কালে  ওই কক্ষে এক পুলিশকে দেখা যায়। ১ নং ওয়ার্ডে পাঞ্জাবি মার্কার সমর্থকরা অপর প্রার্থীর ভোটারদের বাঁধা প্রদান করেন। ৫ নং ওয়ার্ডের বোতল ও ডালিম মার্কার এজেন্টের মধ্য  হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ৪ নং ওয়ার্ডের আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে এক এজেন্ট ভোটারদের ওপেন ভোট দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে দেখা যায়।  তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বড় ধরনের কোন অপ্রিতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায় নি।