ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে সুসংবাদ পেলেন তামিমরা। সুসংবাদ নয় তো কী? কেন উইলিয়ামসনের মতো ইনফরমার ব্যাটসম্যানকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে না। এটিকে শাপেবর হিসেবে নিতে পারে বাংলাদেশ।

 নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ইনজুরিতে পড়েছেন। তার সেরে উঠতে অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগবে।  তার আগেই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ।
২০ মার্চ থেকে মাঠের লড়াইয়ে উপনীত হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুদল। ওয়ানডে দিয়ে শুরু হবে খেলা।
বাঁ কনুইয়ে চোট পেয়েছেন অভিজ্ঞ কেন উইলিয়ামসন। বেশ কিছু দিন ধরে তাকে এ ব্যথা ভোগাচ্ছে। এ কারণে তাকে দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট।

নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিড জানান, ব্যস্ত সূচি সামনে রেখে উইলিয়ামসনকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না তারা।  এ কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলছেন না কেন।
কিউই কোচ যোগ করেন, ‘কেন উইলিয়ামসন দেশের হয়ে খেলতে ভালোবাসেন, সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত তাই সহজ ছিল না। কিন্তু একজন ব্যাটসম্যানের সামনের কনুই তার খেলার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। চোটের যেহেতু উন্নতি হচ্ছে না, এটি স্পষ্ট যে কিছু একটা করতে হতোই।’
দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেন উইলিয়ামসন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। একটিতে ফিফটি করলেও বাকিগুলোয় পারফরম করতে পারেননি।
এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজে চোখ ধাঁধানো পারফরম করেন কেন।  একটিতে করেন সেঞ্চুরি, আরেকটিতে ডাবল সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে একটিতে করেন ফিফটি। তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক টেস্ট খেলে করেন ক্যারিয়ারসেরা ২৫১। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকার জন্য খেলতে পারেননি আরেক টেস্টে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে।
ফর্মের তুঙ্গে থাকা উইলিয়ামসন স্কোয়াডে না থাকা যে কোনো দলের জন্য স্বস্তির। সাকিব-তামিমরা সেই সুযোগ কতটা কাজে লাগাতে পারে সেটিই দেখার বিষয়।