ছবিঃ সংগৃহীত

সীমান্তে বৈরিতা থাকা সত্ত্বেও সব ভুলে এবার প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারত। মাত্রাতিরিক্ত হারে পাকিস্তানে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই এবার ভারতের শরণাপন্ন হয়েছে পাকিস্তান। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জন্য ভারত থেকে সাড়ে ৪ কোটি ভ্যাকসিন পাঠানো হবে ইসলামাবাদে।

পুনের সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড কিছুদিনের মধ্যেই পৌঁছে যাবে পাকিস্তানে। জুন মাসের মধ্যেই ১কোটি ৬০ লাখ টিকা হাতে পেয়ে যাবে পাকিস্তান। এ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি–বেসরকারি চুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলি একে অপরকে করোনার টিকা সরবরাহ করছে।

পাকিস্তানের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিকে আরও জানানো হয়েছে, এ মাসের শুরুতেই ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটু দেরি হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে পাকিস্তান।

ভারতের থেকে বাংলাদেশ, নেপাল, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কাকেও পাঠানো হয়েছে করোনার টিকা। বিশ্বের ৬৫ টি দেশে পাঠানো হচ্ছে ভারতে তৈরি ভ্যাকসিন। এখনও পর্যন্ত ১৫টিরও বেশি দেশে ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে ভারত। আরও ২৫টি দেশে ভ্যাকসিন পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে এতদিন পাকিস্তানে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়নি। এবার এই প্রতিবেশী দেশকেও ভ্যাকসিন দিয়ে সাহায্য করছে ভারত।

পাকিস্তানে নতুন করে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আজ থেকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হচ্ছে। প্রথমে ষাটোর্ধ ব্যক্তিদের চিনের পাঠানো ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এরপর সিরামের তৈরি ভ্যাকসিনও দেওয়া হবে। এর আগে চিনের তৈরি সাইনোফার্ম, ব্রিটেনের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভি এবং চিনের তৈরি ক্যানসিনো বায়ো ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তান।