বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে সরিয়ে নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতারা। রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার ( ১০ মার্চ) ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ মন্তব্য করেন তিনি। সময় এক দফা আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহবানও জানান মির্জা ফখরুল।

প্রতিবাদ সমাবেশটি বেলা দুইটায় রাজধানীর মোহাম্মপুরের শহীদ পার্ক মাঠে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের অনুমতি না থাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় খিলগাঁয়ের তালতলা মার্কেটের সামনে। এদিন বেলা বারোটার পর থেকেই ঢাকা এর আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপি এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে খিলগাঁ এলাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান।

সরকার নিজেদের রক্ষা করতে নতুন নতুন কালো আইন করছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অবিলম্বে এসব ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে

নির্বাচন কমিশনকে আজ্ঞাবহ কৃতদাসের চেয়েও খারাপ মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, এই কমিশনকে অবিলম্বে এবং এই মূহুর্তে তাদের পদত্যাগ করা উচিত। আমরা এই সমাবেশ থেকে বলতে চাই, অবিলম্বে এই নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন অবিলম্বে যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা গঠন করতে হবে

এসময় গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারে রাজপথের আন্দোলনের জন্য প্রস্ততি নিতে নেতাকর্মীদের আহবান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, “সরকার ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু বুঝে না, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায় আসছে।

তাবিথ আউয়ালের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবউননবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ অনেকে।