মুজিব জন্মশতবর্ষের এই সময়ে রাবেয়ারোকেয়ার গৃহ প্রত্যাবর্তন বড় পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার বেলা ১২টার পরমুজিব জন্মশতবর্ষে রাবেয়ারোকেয়ার শুভ গৃহ প্রত্যাবর্তনঅনুষ্ঠানে তিনি কথা বলেন

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী মুজিব জন্মশতবর্ষের এই সময়ে রাবেয়ারোকেয়ার গৃহ প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য একটা বিশেষ পাওয়া

তিনি আরও জানান, প্রায় ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী এই বিশাল অপারেশন সফল হয়েছে চিকিৎসক এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সার্বিক সাহায্য সহযোগিতায়। এই দীর্ঘ জটিল অপারেশন বাংলাদেশে করার মূল লক্ষ্যই ছিল দেশের ডাক্তারদের সাফল্যের খাতায় আরেকটি নতুন অভিজ্ঞতা সংযুক্ত করা। বাংলাদেশী চিকিৎসকদের পাশাপাশি হাঙ্গেরির যে চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে থেকে অপারেশন সফল করেছেন তাদেরকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি

রাবেয়ারোকেয়া ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই পাবনার চাটমোহর উপজেলার রফিকুল ইসলাম তাসলিমা দম্পতির ঘরে মাথা জোড়া লাগা অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে। গুরুতর এই ক্রুটি নিয়ে ছোট্ট শিশু দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবরশেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটউদ্বোধনকালে তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। গঠন করা হয় মেডিকেল বোর্ড। চিকিৎসার জন্য তাদের হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে মাস রাখা হয়। বেশ কয়েক দফা অপারেশনও হয়েছিল শিশু দুটির

সর্বশেষ, ২০১৯ সালের আগস্ট ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে ঘটে এক যুগান্তরকারী ঘটনা। দেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছাড়াও হাঙ্গেরির ৩৫ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার টানা ৩৩ ঘণ্টা অপারেশন চালিয়ে দুই বোনের জোড়া লাগা মাথা আলাদা করেন। সেই সার্জারির পর সিএমএইচ হাসপাতালে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাবেয়ারোকেয়াকে দেখে আসেন