বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ঘোষিত ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ পেছানোর দাবি জানিয়েছে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীরা বলছে, করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধিতে পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মুহূর্তে পরীক্ষা গ্রহণ যৌক্তিক নয় বলে দাবি করেন তারা

আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পরীক্ষার্থী মো. মেহেদি হাসান।

লিখিত বক্তব্য মেহেদি হাসান বলেন, ‘দেশে মহামারি করোনার সাম্প্রতিক সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৬.২৬ শতাংশ এবং ইউকে ভেরিয়ান্ট শনাক্ত হওয়ায় পৌনে পাঁচ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মাঝে ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা বলেন, ‘প্রায় ৫ লাখ পরীক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক, পরিবহন ও যোগাযোগ শ্রমিক এবং পরীক্ষার কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রত্যাবেক্ষক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ সব মিলিয়ে ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষের জনসমাগমে পিএসসি নির্দেশিত বিধিসমূহ কতটুকু অনুসৃত হবে তা নিয়ে যেমন সংশয় রয়েছে তেমনি করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সফারের উচ্চ ঝুঁকির সম্ভাবনাও রয়েছে।’টিকা নিশ্চিতের আগে পরীক্ষা গ্রহণকে প্রধানমন্ত্রীর অনুসৃত নীতির সাথে সাংঘর্ষিক দাবি করে মেহেদি হাসান বলেন, ‘টিকা নিশ্চিতের আগেই এত বড় পরিসরে জনসমাগমের আয়োজন অতিমারি রোধে স্বাস্থ্যবিধি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতি ও প্রধানমন্ত্রীর অনুসৃত নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাছাড়াও করোনা পজিটিভ পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে পিএসসির সুনির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা না থাকায় তা সুস্থ পরীক্ষার্থীদের মাঝে বাড়তি উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।’

করোনার মধ্যেই ৪২ তম বিসিএসের পরীক্ষা গ্রহণ হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে মেহেদি বলেন, ‘৪২ তম বিসিএস করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করার উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছিলো। এটি বিশেষ বিসিএস ছিলো। তাছাড়া সেখানে মাত্র ৩২ হাজার পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিলো। কিন্তু এটিতে পৌনে পাঁচ লাখ পরীক্ষার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রাকিব হাসান ও মেহেদি হাসান।