জিহাদুল ইসলাম
চরফ্যাশন(ভোলা)প্রতিনিধি।।চরফ্যাসনের দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নে অসহায় কৃষকের দখলীয় জমি জবর দখল করে রাতের আধাঁরে ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী রশিদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার ওই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের চরকচ্ছপিয়া উত্তর মাথা এলাকায় জমি জবর দখল করে ঘর নির্মানের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কৃষক পরিবার সুত্রে জানাগেছে।

ভূক্তভোগী কৃষক নুরুল আমিন অভিযোগ করেন, চর কচ্ছপিয়া মৌজায় ৫২২ ও ৫২৬ নং খতিয়ানে  প্রতিবেশী বাবুলের কাছ থেকে ২২ শতাংশ জমি খরিদ করে দীর্ঘ নয় বছর ভোগ দখলে আছেন। সম্প্রতি সময়ে রশিদ হাওলাদার ওই জমির মালিকানা দাবী করে তাকে উচ্ছেদের হুমকি দেয়। এবং তার দলবল নিয়ে জোরপুর্বক তার দখলীয় আবাদি জমির ধান কেটে নেয় এবং পুকুরের মাছ লুটে নেয়। এঘটনায় তিনি চর মানিকা ইউপি চেয়ারম্যানের আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চেয়াম্যানের আদালতে বিচারকার্য চলমান থাকা অবস্থায় চেয়ারম্যানের আদালত থেকে বারবার নোটিশের মাধ্যমে  নিষেধাজ্ঞা দিলেও রশিদ হাওলাদার পেশী শক্তির প্রভাব খাটিয়ে গ্রাম্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৮ মার্চ জোরপূর্বক রাতের আধাঁরে তার দখলীয় জমিতে ঘর উত্তোলন শুরু করেন। তার জমিতে ঘর উত্তোলনে বাধা দিলে তাকে মারধরের চেষ্টা করেন। এবং স্বপরিবারকে প্রানাশের হুমকি দেন। প্রভাবশালী রশিদ হাওলাদার ও তার দলবলের অব্যহত হুমকিতে নিরাত্তাহীনতায় রয়েছে তার পরিবার।

স্থানীয় প্রতিবেশী ফারুক জানান, ওই জমি নুরুল আমিন খরিদ করে ভোগদখলে আছে কিন্তু রাতের আধাঁরে রশিদ হাওলাদার দলবল নিয়ে ওই জমিতে জোরপুর্বক ঘর নির্মান করে ওই কৃষক নুরুল আমিনকে তার জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। অভিযুক্ত রশিদ হাওলাদারের কোন বক্তব্য জানা যায়নি । তবে তার ছেলে মোঃ কাজল জানান, আমার বাবাও ওই খতিয়ানের মালিক বাবুলের কাছ থেকে ২০ শতাংশ জমি খরিদ করেন। এবং আমাদের খরিদা জামিতে ঘর উত্তোলন করছি।

দক্ষিন আইচা থানার ওসি মোঃ হারুন অর রশিদ জানান, এঘটনায় কোন লিখিত অভিয়োগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share Button