করোনা পরিস্থিতির অবনতি ও লকডাউনের প্রভাব পড়েছে ঈদের নাটক নির্মাণের ক্ষেত্রে। সাধারণত রোজার আগে ও রোজায় নির্মাতারা ঈদের নাটক নির্মাণ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এ সময় শত শত নাটক নির্মিত হয়। শিল্পীরাও দিন-রাত শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তবে এবার করোনার অস্বাভাবিক সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে নির্মাতারা শুটিং বন্ধ না রাখলেও, শিল্পীদের মধ্যে দ্বিধা-দ্ব›দ্ব কাজ করছে। এর মধ্যে চাহিদা সম্পন্ন অনেক শিল্পী শুটিং বন্ধ রেখেছেন। অনেকে কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। কেউ কেউ ঈদের আগ পর্যন্ত শুটিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে ঈদের নাটক নিয়ে নির্মাতা-প্রযোজকরা আছেন দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। সময়মতো কাজ শেষ করার অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, অনেক শিল্পী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমিও বাদ পড়িনি। এই সময়ে শুটিং করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তবু আমরা শুটিং বন্ধ করিনি। আবার কাউকে উৎসাহও দিচ্ছি না শুটিং করতে। কারণ এই সময়ে সবারই কাজ করার তাড়া থাকে। যাদের পক্ষে বিধিনিষেধ মেনে কাজ করা সম্ভব তারা শুটিং করছেন। তবে আমি মনে করি এই সময়ে আমাদের ঘরে থাকা প্রয়োজন। এদিকে নির্মাতাদের অনেকে জানান, করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় তারকা শিল্পীরা কাজ কম করছেন। তাদের শিডিউল পাওয়া যাচ্ছে না ঠিকমতো। যার ফলে অনেক নির্মাতা সময়মতো কাজ শেষ করতে পারবেন না। টিভি চ্যানেলগুলোও ঈদের নাটক নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন। বেশ কয়েকটি চ্যানেল থেকে জানা যায়, গত বছরের মতো এবারো হয়তো নতুন নাটকের পাশাপাশি পুরান নাটক প্রচার করতে হবে তাদের।