ছবিঃ সংগৃহীত

সম্প্রতি দেশের গণমাধ্যমে হাসপাতাল ‘উধাও’ হওয়ার খবর প্রকাশের জেরে সমালোচনায় পড়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, হাসপাতালের একটা টিস্যু বক্সের হিসাব পর্যন্ত আছে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। হাসপাতাল ‘উধাও’ সংক্রান্ত সমালোচনা প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বলেন, ‘উধাও’ শব্দটার মধ্যে অপমানজনক ব্যাখ্যা আছে। তিনি দাবি করেন, বাস্তবতা বিবেচনা করে সে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানকার সরঞ্জামগুলো দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

খুরশিদ আলম আরো বলেন বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টার যখন তৈরি করা হয়, যে পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি করা হয়েছিল, সেটি বিদ্যমান ছিল না বিধায় সেখানে অনেক মূল্যবান যন্ত্রপাতি ছিল, সারাদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন জেলা-উপজেলা এবং বিভিন্ন জায়গায় আমরা সেটা ছড়িয়ে দিয়েছি। একটা টিস্যু বক্সের হিসাব পর্যন্ত আছে।

তিনি জানান, বসুন্ধরা আইসোলেশন সেন্টারে প্রতিমাসে ৬০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হতো। ১ হাজারের বেশি লোকবল সংশ্লিষ্ট ছিল। কিন্তু প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জনের বেশি রোগী থাকতো না।

সংবাদ সম্মেলনে খুরশিদ আলম করোনাভাইরাস সংক্রমণের সময় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করায় গণমাধ্যমের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসাকর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে আছেন। তাদের অনেকই মানসিক বৈকল্যে ভুগছেন। সেজন্য চিকিৎসা সেবার সাথে সংশ্লিষ্টরা সমবেদনা আশা করতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 বিশেষজ্ঞদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা একদিনও রোগীর পাশে দাঁড়াননি।