আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় দেশে করোনাভাইরাসে নতুন রোগী কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমিত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ওই ২৪ ঘণ্টায় হাজার ৪৪৭ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। আর করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় হাজার ৮৮৭ জনের

নিয়ে দেশে পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে লাখ হাজার ৩১৪। মোট মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ৮০১ জনের। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন লাখ ৪৯ হাজার ৪২৫ জন

শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ১১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ০৩ শতাংশ। গতকাল ছিল ১০ দশমিক ৪০। গত ৩৯ দিনের মধ্যে আজই করোনা শনাক্তের হার বেশি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের মার্চ। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে

বছরের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৬ মার্চের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জনের মৃত্যু খবর দেওয়া হয়, সেখানে ১৯ এপ্রিলের বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ওই দিনই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়
করোনা সংক্রমণ মৃত্যু বাড়তে থাকায় এপ্রিল থেকে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এই বিধিনিষেধে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে