ষ্টাফ রিপোর্টার : ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ১৭টি চলচ্চিত্র। মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। ৩টি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক, ২টি শিশুতোষ ও ১২টি সাধারণ শাখায় ক্যাটাগরিতে মোট ১৭ টি সিনেমাকে অনুদান ঘোষণা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে অনুদান পাওয়া চলচ্চিত্র তিনটি হল- প্রযোজক ও পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেনের মিন্টুর ‘ক্ষমা’, প্রযোজক ও পরিচালক নাঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘সাড়ে তিন হাত ভূমি’, প্রযোজক বদরুন নেছা খানম ও পরিচালক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডলের ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’।
শিশুতোষ ক্যাটাগরিতে অনুদান পাওয়া চলচ্চিত্র ২টি হল- প্রযোজক এম এম শাহীন ও পরিচালক এম এম শাহীন এবং হাসান জাফরুলের ‘মাইক’, প্রযোজক ও পরিচালক মিস লুবনা শারমিনের ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’।
এছাড়া সাধারণ ক্যাটাগরিতে অনুদান পাওয়া ১২টি চলচ্চিত্র হল- প্রযোজক মিন্টু সিকদার ও পরিচালক কাজী হায়াতের ‘জয় বাংলা’, প্রযোজক জানে আলম ও পরিচালক অনিরুদ্ধ রাসেলের ‘জামদানী’, প্রযোজক ও পরিচালক জাহিদুর রহিম অঞ্জনের ‘চাঁদের অমাবস্য’, প্রযোজক জয়া আহসান ও পরিচালক মেসবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, সিম মাহজাবিন রেজা চৌধুরী-মোহাম্মাদ আসাদুজ্জামান-অমিতাভ রেজা চৌধুরীর প্রযোজনায় ও অমিতাভ রেজার পরিচালনায় ‘পেন্সিলে আঁকা পরী’, প্রযোজক ও পরিচালক অরুণ চৌধুরীর ‘জলে জ্বলে’, প্রযোজক ও পরিচালক অরুণা বিশ্বাসের ‘অসম্ভব’, প্রযোজক ও পরিচালক রকিবুল হাসান চৌধুরীর পিকলুর ‘দাওয়াল’, প্রযোজক রেজাউর রহমান খান ও পরিচালক ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর ‘বলী’, প্রযোজক মিস তামান্না সুলতানা ও পরিচালক আব্দুস সামাদ খোকনের ‘শ্রাবণ জোৎস্নায়’, প্রযোজক ও পরিচালক আশুতোষ ভট্টাচার্যর ‘দেশান্তর’।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও মননশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে, রুচিশীল ও শিল্পমান সমৃদ্ধ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তার প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিম্নের ছকে (১৭টি) উল্লেখিত পূর্ণদৈঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট প্রযোজককে ২০২০-২১ অর্থ বছরের অনুদান প্রদানের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে চলচ্চিত্রশিল্প ক্ষতির সম্মক্ষীন হয়েছে বিধায় এ শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় বিদ্যমান আওতার অধিক সংখ্যক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে অনুদানের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।