বিনোদন রিপোর্টার : বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে পরিচালক নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন ‘চিরঞ্জীব মুজিব’। ছবিটি সম্প্রতি বিনা কর্তনে সেন্সর সনদ পেয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্যগণ চলচ্চিত্রটি’র একটি প্রদর্শনী দেখে সেন্সর সনদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ চলচ্চিত্রটির নিবেদক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোটবোন শেখ রেহানা। নিবেদনের পাশাপাশি এর সংলাপ সংশোধন ও পরিমার্জনও করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা, নাট্যরূপ এবং সংলাপ সবই নজরুল ইসলামের। চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জুয়েল মাহমুদ। তিনি চলচ্চিত্রটির সৃজনশীল পরিচালকও। হায়দার এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্রটির প্রযোজক লিটন হায়দার।
‘চিরঞ্জীব মুজিব’ চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রেণুর চরিত্রে পূর্ণিমা এবং বঙ্গবন্ধুর বাবা ও মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন যথাক্রমে খায়রুল আলম সবুজ এবং দিলারা জামান। এছাড়া প্রয়াত এস এম মহসীন, নরেশ ভুঁইয়া, একে আজাদ পাভেল, শতাব্দী ওয়াদুদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, আরমান পারভেজ মুরাদ, কায়েস চৌধুরীসহ ৫ শতাধিক নবীন ও প্রবীণ অভিনেতা/অভিনেত্রী এই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত আয়োজনে ছিলেন ইমন সাহা, ক্যামেরায় সাহেল রণি এবং শিল্প নির্দেশনা ও পোশাক পরিকল্পনায় ছিলেন প্রয়াত সেলিম আহমেদ। সাবিনা ইয়াসমিন, কুমার বিশ্বজিৎ, কিরণ চন্দ্র রায়, কোনাল ও নোলক বাবু বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এ চলচ্চিত্রটিতে গগন হরকরা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং জসীম উদ্দীনের গান ব্যবহার করা হয়েছে।
গত ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রটির পোস্টার উদ্বোধন করেন। খুব শিগগিরই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পরিচালক নজরুল ইসলাম।