• শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার শ্যালকের প্রার্থীতা প্রত্যাহারে টেলিফোন নির্দেশ নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তুলে ধরার আহ্বান রাষ্ট্রপতির দেশে হিট অ্যালার্ট জারি, শঙ্কায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর দাবি ইরানে ইসরায়েলের হামলার খবরে বিশ্ব প্রতিক্রিয়া নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার সিদ্ধান্ত আইসিসি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা ইসফাহানে ‘বিস্ফোরণের’ শব্দের কারণ জানালো ইরান এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের স্থায়ী ঠিকানা কারাগার: রিজভী রাজধানীর শিশু হাসপাতালে আগুন বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা রাজনৈতিক নয়: প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমার সেনাবাহিনী মানবতা বিরোধী অপরাধ করে যাচ্ছে

আল ইসলাম কায়েদ
আপডেটঃ : বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডবিøউ)। স্থানীয় সময় গত সোমবার রাত ৮টার দিকে নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এইচআরডবিøউ বলেছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে হত্যা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, বলপ্রয়োগে উচ্ছেদের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গুরুতরভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনী যে নিপীড়ন চালিয়েছে তা আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রগুলো হলো: কোনও জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তরিত ও বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য করা, হত্যা। ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সন্ত্রাস এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রোম স্ট্যাচু’র বিবেচনায় নিপীড়নমূলক কর্মকান্ড করা। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ এবং ২০১৬ সালে উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং রাখাইনের বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তরা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, তখনও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য বার্মা সরকারকে দায়ী করেছিল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। আইসিসির রোম স্ট্যাচু-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধ হলো এমন অপরাধমূলক কর্মকান্ড যা জেনেশুনেই কোনও বেসামরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিস্তৃত ও কাঠামোবদ্ধ হামলা আকারে পরিচালনা করা হয়। এ ধরনের হামলা অবশ্যই রাষ্ট্রীয় অথবা সাংগঠনিক নীতির অংশ হতে হবে। আন্তর্জাতিক আইনি বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী এ হামলা হতে হবে বিস্তৃত কিংবা কাঠামোবদ্ধ, তবে দুটোই হওয়া প্রয়োজন। হামলার বিস্তৃতর মানে হলো অপরাধের মাত্রা কিংবা ঘটনার শিকার মানুষদের সংখ্যা এবং কাঠামোবদ্ধ হামলা দিয়ে বোঝায় পদ্ধতিগত পরিকল্পনা। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবতাবিষয়ক আইনে বলা আছে মানবতাবিরোধী অপরাধ যে কেবল সামরিক হামলার ক্ষেত্রে হবে তা নয়। কারণ, মানবতাবিরোধী অপরাধ সশস্ত্র সংঘাতমূলক প্রেক্ষাপটের মধ্যে কিংবা এর বাইরেও হতে পারে। তাছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধ মানে যে কেবল একটি এলাকার গোটা জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা পরিচালনা করা, তা নয়। ওয়েবসাইট।

Share Button


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

You cannot copy content of this page

You cannot copy content of this page