• বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:০২ অপরাহ্ন

‘৭ই মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দেওয়ায় বিএনপির গাত্রদাহ’

আল ইসলাম কায়েদ
আপডেটঃ : সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৭

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম সেরা ভাষণ এবং প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াতে বিএনপির গাত্রদাহ হচ্ছে। কারণ তারা এই ভাষণকে এবং ভাষণের গুরুত্বকে ক্রমাগত ভাবে অস্বীকার করেছে এবং ইতিহাস বিকৃতি করেছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তার এই ভাষণ বাজানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল এবং রাষ্ট্রীয় প্রচার যন্ত্র থেকে নির্বাসিত করেছিল। তিনি বলেন, তাই এই ভাষণের স্বীকৃতিতে তাদের এতো গাত্রদাহ।
সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এই ভাষণের মধ্যেই একটি নিরস্ত্র জাতিকে স্বশস্ত্র জাতিতে রুপান্তরিত করেছিলেন। এই ভাষণটি ছিল স্বাধিনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক। ইউনেস্কো এই ভাষণের স্বীকৃতিতে বলেছে,  “This speech effectively declared the independence of Bangladesh”
তিনি বলেন, এই ভাষণের স্বীকৃতি দেশ জাতি ও রাষ্ট্রের অর্জন। তাই ২৫শে নভেম্বর রাষ্ট্রের কর্মচারীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ ও আনন্দ র‌্যালি করেছিল। এটি কোন রাজনৈতিক সমাবেশ ছিল না। এবং এখানে কোন রাজনৈতিক নেতা বক্তব্য রাখেননি। শুধুমাত্র বক্তব্য রেখেছিল রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মচারীরা ও দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আর এই সমাবেশকে রিজভীসহ বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এটাকে রাজনৈতিক সমাবেশ বলে মিথ্যাচার করছেন।
বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন, তা নিয়েও মীর্জা ফখরুল ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন। মীর্জা ফখরুলের এই প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ইকোনোমিক ইনডেক্স, সোশ্যাল ইনডেক্স, হেলথ ইনডেক্স, হিউম্যান ইনডেক্স, এসব নিয়ে একটু পড়াশোনা করুন। ২০১৭ সালের সাথে, বিগত দিনের ইনডেক্স গুলো মিলিয়ে দেখুন। ২০০৮ সালে মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৬০০ ডলার। বর্তমানে তা ১৬৫০ ডলার।
তিনি আরও বলেন,২০০৮ সালে দারিদ্র সীমার নিচে ছিল ৪০ শতাংশ মানুষের বসবাস। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিল ৪০ শতাংশ মানুষ। এখন তা ৯০ শতাংশের কাছা কাছি। জাতিসংঘ থেকে শুরু করে, পৃথিবীর বেশ কিছু ক্রেডিবল সংস্হা সমূহ এগুলোর প্রশংসা করেছেন। কিন্তু মীর্জা ফখরুল সহ বি এন পির সিনিয়র নেতারা, এগুলোকে অস্বীকার করে চলেছেন।
বিএনপি নেতা রিজভী আহমদের ইদানিং কথাবার্তায় কোন প্রকার শালীনতা খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি অতি অসম্মানজনক ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে কথা বলেন। তার এখনকার কথাবার্তা বদ্ধ উন্মাদের প্রলাপ বলেই মনে হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
Share Button


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

You cannot copy content of this page

You cannot copy content of this page