• বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যে কারনে ইউরোপের তিন দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলো, রোহিঙ্গাদের খেয়ে ফেলতো খাদ্য উৎপাদন না বাড়লে, কুকুরের সাথে করতো কাড়াকাড়ি: ব্রি’র ডিজি বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী পরিবেশ রক্ষা করেই বাস্তবায়িত হবে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে শাবনূরের আহ্বান, আইএমও মহাসচিব ঢাকা সফরে আসছেন কাল নিউইয়র্কের রাস্তায় দেশের পতাকা হাতে মৌসুমী মাদক বিরোধী অভিযানে ৪শ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার, আটক ৩ তদবিরের টাকা ফেরত না পেয়ে পিটিয়ে হত্যা করলেন চাচা শ্বশুরকে, ভারতীয় অধিনায়কের স্ত্রীর সংহতি প্রকাশ ফিলিস্তিনিদের প্রতি  ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

উখিয়া-টেকনাফে ২৮৪ রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম, অন্তঃসত্ত্বা ১১ হাজার

আপডেটঃ : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৭

মিয়ানমারের সেনাদের নির্মম নির্যাতনের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা । ২৫ আগস্ট থেকে এসব শিবিরে জন্ম নিয়েছে ২৮৪ রোহিঙ্গা শিশু এবং প্রায় ১১ হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন। অন্তঃসত্ত্বা নারী ও নবজাতকের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

উখিয়া ও টেকনাফের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের হিসাবে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, বালুখালী উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কুতুপালং কমিউনিটি ক্লিনিক ও পালংখালী স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, রোহিঙ্গা হেলথ ইউনিট, টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ১৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক, দুটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র দুটি, সূর্যের হাসি ও লেদা হেলথ ক্লিনিকের তথ্যমতে, ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা অন্তঃসত্ত্বা নারীর সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার। এছাড়া নবজাতক জন্ম নিয়েছে ২৮৪ জন।

এর মধ্যে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে ২৫ নবজাতক, বালুখালী উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১১, কুতুপালং কমিউনিটি ক্লিনিকে ৬, পালংখালী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ৬, রোহিঙ্গা হেলথ ইউনিটে জন্ম নিয়েছে ২৮ জন নবজাতক। আর টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ও লেদা ক্যাম্পে জন্ম নিয়েছে ২০৮ জন নবজাতক।

এছাড়া উখিয়া ও টেকনাফে গর্ভপাত হওয়া নারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ জন। উখিয়ায় বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫০ জন, আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১১ জন এবং টেকনাফের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে প্রতিদিন বর্হিবিভাগে স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন ৬০ জন এবং আন্তঃবিভাগে ১০ জনের মতো স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে থাকেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোতে রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। তবে এখানে বিনামূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া অন্তঃসত্ত্বা নারী ও নবজাতকের যতœ নেয়া হচ্ছে গুরুত্বসহকারে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন ফরমিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের কাছে তারা কৃতজ্ঞ। তাদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে, খাবার ও আশ্রয় দিচ্ছে। এ সময় সন্তানের লালন-পালনের দুঃশ্চিন্তায় কেঁদে ফেলেন আরও দুই শিশুর জন্মদাত্রী জোবাইয়েদা ও জয়নুন।

উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, উখিয়ার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এ পর্যন্ত ৭৬ জন নবজাতকের জন্ম হয়েছে। এছাড়া অন্তঃসত্ত্বা নারীর সংখ্যা এখানে প্রায় ৫ হাজার। এছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ৫০ জনকে এবং আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জনের মতো। আমরা বিনামূল্যে ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি। সেবার ক্ষেত্রে আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি আমরা রাখছি না।

টেকনাফের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের ডা. সুমন বড়ুয়া যুগান্তরকে বলেন, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অন্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে অন্তঃসত্ত্বা ৬ হাজার ও নবজাতক ২০৮ জন। এছাড়া গর্ভপাত হওয়া নারীর সংখ্যা ৬ জন। অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ