• বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিদ্যা দেবী জমজমাট হাটে প্রতিমা বিক্রির ধুম

আপডেটঃ : রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৮

বাগেরহাট প্রদিনিধি॥
বাগেরহাটে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বিদ্যা দেবীর হাট বসেছে । জমজমাট এই হাটে বিদ্যা ও সংগীতের দেবী স্বরস্বতী কে ভাস্কর তার হাতের রং তুলির আচড়ে অপরূপ সাজে মোহ-ময়ী করে তুেলছে। সেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত করছে সাজ-গোজ এর কাজ,পড়েছে প্রতিমা বিক্রির ধুম। বাগেরহাট শহরের বণিক পট্টি এলাকায় শ্রী শ্রী রাধেশ্যাম মন্দির চত্তরের এই হাটে হিন্দু ধর্মালম্বীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিমা কিনতে এ আসছেন ।রবিবার বিকেলে হাটে গিয়ে  দেখা যায় ছোট বড় অসংখ্য প্রতিমা নিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এসময় ব্যবসায়ী পরিতোষ কুমার পালের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া এলাকা থেকে তৈরিকৃত প্রতিমাগুলো বাগেরহাটের বাজারে নিয়ে আসছেন। ৩‘শ প্রতিমার মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিক্রি হয়ে গেছে। সর্বোচ্চ  সাড়ে ৪ হাজার ও সর্বনি¤œ ২‘শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে প্রতিমাগুলো। আরেক ব্যবসায়ী মুকুল কুমার পাল বলেন, পাঁচ শতাধিক প্রতিমা নিয়ে আসছিলাম বাগেরহাটে। আমার অধিকাংশ প্রতিমা বিক্রি হয়েছে।বাগেরহাট সদর উপজেলার বাঘমারা গ্রামের নারায়ন চন্দ্র বলেন, প্রতি বছর বিভিন্ন হাট থেকে প্রতিমা ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে পূজা অর্চনা করি। তবে এবার বাগেরহাট শহরের বাজারে এসে দেখেছি প্রতিমা গুলোকে আকর্ষনীয় করে তৈরি করেছেন কারিগররা। আমি মুগ্ধ হয়েছি মা-র এত সুন্দর ও মনমুগ্ধকর প্রতিমা দেখে। আমিও বাড়িতে পূজা করার জন্য একটি প্রতিমা ক্রয় করেছি।দাসপাড়া এলাকার পপি চক্রবর্তী বলেন, হাটে এসে প্রতিমা গুলো দেখে খুব ভাল লাগছে। আগামী সোমবার সরস্বতী পূজা করার জন্য একটি প্রতিমা ক্রয় করেছি। তবে গতবছরের তুলনায় এবারে প্রতিমার দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।বাগেরহাটের বিএসসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঝিমি মন্ডল বলেন, মায়ের পূজা করলে বাচ্চাদের লেখা পড়ায় উন্নতি হয়। সাথে সাথে সঙ্গিত চর্চায়ও মনোনিবেশ করতে পারে। তাই আমার বাড়িতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর সরস্বতী পূজা করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতিমা ক্রয় করেছি। হিন্দু ধর্ম মতে বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী খ্যাত সরস্বতী দেবী। সনাতন ধর্মীয় লোকেরা বিদ্যার্জন ও সঙ্গীতে পান্ডিত্য অর্জনের জন্য শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারে এই দিন শিশুদের হাতেখড়ি ব্রাক্ষ্মনভোজন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সর্বজনীন পূজাম-পগুলিতে পূজা আর্চনা করা হয়।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ